• মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ১১:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
খাল নেই, তবুও কোটি টাকার সেতু: অপচয়ের অভিযোগ, বিপাকে কয়েকটি পরিবার মহানন্দা ব্যাটেলিয়ন ৫৯ বিজিবির মাদকও চোরাচালান বিরোধী অভিযানে নেশাজাতীয় সিরাপ জব্দ  ঝালকাঠিতে জেলা রোভার স্কাউটের গ্রুপ সভাপতি ও আরএসএলদের মাল্টিপারপাস ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত মমতা ব্যানার্জির কথার গুরুত্ব দিয়ে হাদি হত্যার সঙ্গে কারা জড়িত তা স্পস্ট করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব : বোন মাছুমা হাদি ভালোবাসার বিয়ের মাত্র ৫ মাস ২০ দিনে মর্মান্তিক পরিণতি ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে ফের অবৈধ বালু উত্তোলনের শঙ্কা, নদীভাঙন আতঙ্কে এলাকাবাসী চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে ২০ পিস ইয়াবাসহ একাধিক মামলার আসামি গ্রেফতার কীর্তিপাশা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ঝালকাঠিতে নদী ভাঙ্গন রোধ ও সড়ক সংস্কারের দুই দফা দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত  ঝালকাঠিস্থ জবিয়ান ফোরামের ঈদ পুনর্মিলনী 

খাল নেই, তবুও কোটি টাকার সেতু: অপচয়ের অভিযোগ, বিপাকে কয়েকটি পরিবার

Reporter Name / ৩৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬

 

ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধি:

ঝালকাঠি’র নলছিটি উপজেলার সুবিদপুর ইউনিয়নের গোডন্দা এলাকায় খালের অস্তিত্ব প্রায় বিলীন হলেও সেখানে প্রায় ৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি ১০ মিটার দীর্ঘ আরসিসি স্ল্যাব সেতু নির্মাণ করায় সরকারি অর্থের অপচয়ের অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে সেতুর সংযোগ সড়ক নির্মাণ নিয়ে নতুন জটিলতায় পড়েছেন আশপাশের কয়েকটি পরিবারের সদস্যরা।

 

এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, মানপাশা জিসি–তালতলা–ভবানীপুর হয়ে নাচনমহল ইউনিয়ন সড়কে বিডিআইআরডবলুএসপি প্রকল্পের আওতায় সেতুটি নির্মাণ করা হচ্ছে।

৭ ফেব্রুয়ারি কাজ শুরু হয়ে ২০২৫ সালের ১৮ নভেম্বর শেষ হওয়ার কথা ছিল। ইতিমধ্যে ঠিকাদারকে ৭৪ লাখ ১৬ হাজার ১৭৯ টাকা বিল পরিশোধ করা হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, যেখানে একসময় ছোট একটি খালের ওপর বক্স কালভার্ট ছিল, সেখানে এখন খাল প্রায় বিলুপ্ত। এমন স্থানে নতুন সেতু নির্মাণের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এছাড়া সেতুটি চালু করতে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হলে কয়েকটি পরিবারের বাড়ির সামনের চলাচলের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

 

ভুক্তভোগী আব্বাস হাওলাদার, মোর্শেদা বেগম, জামাল ও সবুজ জানান, সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হলে তাদের স্বাভাবিক যাতায়াত ব্যাহত হবে। তারা দ্রুত সমস্যার সমাধান চান।

 

স্থানীয়দের একাংশের দাবি, যথাযথ পরিকল্পনা ও বাস্তবতা যাচাই ছাড়া প্রকল্পটি গ্রহণ করায় এখন জনদুর্ভোগ ও সরকারি অর্থ অপচয়ের প্রশ্ন সামনে এসেছে।

 

স্থানীয়দের মধ্যে আরো অভিযোগ রয়েছে, প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (এসও) উপসহকারী প্রকৌশলী মঈনুল আযম ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও জেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ মনিরুল ইসলাম তালুকদারের সঙ্গে যোগসাজশে অনিয়ম করেছেন।

তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে উপসহকারী প্রকৌশলী মঈনুল আযম বলেন, আমি কোনো অনিয়ম করিনি। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য বিকল্প চলাচলের ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে।

 

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী আজিজুল হক বলেন, সেতুটি পূর্বের একটি কালভার্টের স্থানে নির্মাণ করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে কিছু জটিলতা তৈরি হয়েছে ঠিকই, তবে আমরা ইতোমধ্যে বিষয়টি পর্যালোচনা করছি। স্থানীয়দের ক্ষতি না করে কীভাবে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা যায়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/