• সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০১:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বায়োমেডিক্যাল গবেষণার জন্য BPA (Best Professional Award) এবং Star Excellence Award 2026 অর্জন করলেন ন্যানো গবেষক ড. আহ্সানুল কায়সার গোপালগঞ্জে বৃক্ষমেলা-২০২৬ শুরু, পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের আহ্বান নাশকতার মামলায় জামিন পেলেন সাবেক বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর নড়াইলে শিশু বলাৎকারের অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার কিশোর-যুব স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে অবহিতকরণ সভা, বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনসচেতনতা তৈরির উদ্যোগ মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত: অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও অসুস্থদের পাশে জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাড. শাহাদাৎ হোসেন ডাকাতির ঘটনায় সম্পৃক্ততার সন্দেহে ঝালকাঠিতে যুবলীগ নেতা আটক ড্রেন পরিষ্কার ও জলাবদ্ধতা নিরসনে মাঠে প্রশাসক; প্রতিটি ওয়ার্ডে অভিযান জোরদারের নির্দেশনা নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলায় পুরুলিয়া ইউনিয়নের দেওয়াডাঙ্গা গ্রামে এক ব্যক্তির রহস্যজনক মৃত্যু  কলমের দাগ থেকে শিশু শিক্ষার্থীকে জুতা পেটা, পাইকগাছার স্কুলে তোলপাড়

বায়োমেডিক্যাল গবেষণার জন্য BPA (Best Professional Award) এবং Star Excellence Award 2026 অর্জন করলেন ন্যানো গবেষক ড. আহ্সানুল কায়সার

Reporter Name / ৯ Time View
Update : সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক :

 

গত ২০ জুন ২০২৬ তারিখে ঢাকার সেগুনবাগিচাস্থ সেন্ট্রাল কচিকাঁচা অডিটোরিয়াম ও ১১ জুলাই ২০২৬ তারিখে ঢাকার বিজয়নগর ইআরএফ অডিটোরিয়ামে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা পেশাজীবী, উদ্যোক্তা, সমাজসেবক ও উদ্ভাবকদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। এ অনুষ্ঠানে ন্যানো গবেষক ড. ইঞ্জিনিয়ার আহ্সানুল কায়সার বায়োমেডিক্যাল গবেষণার খাতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ Biomedical Research & Innovation” ক্যাটাগরিতে যথাক্রমে “BPA (Best Professional Award) (Season-02)” ও “স্টার এক্সিলেন্স এ্যাওয়ার্ড ” 2026 অর্জন করেছেন।

 

 

ন্যানো গবেষক আহ্সানুল কায়সার এর জন্ম ও বেড়ে ওঠা ঢাকায়। তিনি রাজধানীর স্বনামধন্য মতিঝিল মডেল স্কুল থেকে এসএসসি ও তেজগাঁও কলেজ থেকে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে তিনি মেরিন ফিশারিজ একাডেমি (এমএফএ) থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।

 

 

স্নাতক সম্পন্ন করার পর তিনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে/ সংস্থায় প্রযুক্তিগত অবদানের লক্ষ্যে দেশে (বাংলাদেশ) এবং বিদেশে (বেনিন, মালয়েশিয়া ও সৌদি আরব) প্ল্যান্ট ইঞ্জিনিয়ারিং, মেশিন অপারেশন, অটোমেশন, লজিস্টিকস ও ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত গ্রহণ/ নিরাপদ পরিকল্পনা, সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট, মেরিন ও মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, প্রসেসিং ও মেটেরিয়ালস হ্যান্ডলিং-এর পাশাপাশি সহায়তা, নেতৃত্ব, স্বেচ্ছাসেবা, পরামর্শদান, গ্রাহক সেবা ও বিক্রয়ের মতো পরিশীলিত দক্ষতায় ১২ বছরের (১৯৯৮-২০১১) অভিজ্ঞতা রয়েছে। পরবর্তীতে বিদেশে উচ্চশিক্ষা লাভ করতে, ২০১৪ সালের জুলাই মাসে, বিশ্বে টেকসই উন্নয়ন এবং প্রযুক্তিগত অবদানের লক্ষ্যে তিনি ইউনিভার্সিটি পুত্রা মালয়েশিয়া (UPM) থেকে থিসিস সহ মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এ মাস্টার অফ সাইন্স সম্পন্ন করেছেন।

 

 

সমাজ ও প্রাণীর প্রতি অকৃত্তিম ভালবাসা, নিবেদন, কল্যাণ ও মঙ্গলের জন্য, উচ্চতর বায়োমেডিকেল গবেষণার লক্ষ্যের ধারাবাহিকতায়, তিনি ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে সম্পূর্ণ বৃত্তি Monash University (সানওয়ে ক্যাম্পাস)-এ সফলভাবে “পরিবর্তিত কার্বনেট অ্যাপাটাইট ন্যানোপার্টিকেলস দ্বারা ক্যান্সারের জন্য স্মার্ট ড্রাগ ডেলিভারি এবং ইমেজ-গাইডেড থেরাপি” বিষয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং-এ মাস্টার্স থেকে পিএইচডি করার জন্য যোগদান করেন। মোনাশ বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর স্নাতকোত্তর গবেষণার মূল লক্ষ্য ছিল বিভিন্ন ভৌত প্যারামিটারের প্রভাব বোঝা, যার মাধ্যমে বায়োডিগ্রেডেবল পিএইচ-রেসপন্সিভ অজৈব কার্বনেট অ্যাপাটাইট ন্যানোপার্টিকেলস (এনপি)-কে বায়ো-ইমেজিং এজেন্ট, ক্ষুদ্র অণু এবং বিভিন্ন ওষুধের একটি কার্যকর ন্যানো-ক্যারিয়ার হিসাবে তৈরি ও পরিবর্তন করা যায়। এই ন্যানো-ক্যারিয়ারটি স্তন ক্যান্সারের বায়ো-ইমেজিং গাইডেড টার্গেটেড থেরাপির জন্য ব্যবহৃত হয়, যার মধ্যে এনআইআর লেজার ব্যবহার করে স্মার্ট থেরানোস্টিক ন্যানোপার্টিকেলস ভিত্তিক ফটোডাইনামিক থেরাপি (পিডিটি) এবং স্তন ক্যান্সারের চিকিৎসার জন্য সম্মিলিত থেরাপিও অন্তর্ভুক্ত।

 

 

তিনি বাংলাদেশের ঢাকায় অবস্থিত Apex Research Organization BCSIR (বিসিএসআইআর)-এ পোস্ট ডক্টরাল রিসার্চ ফেলো Scholar হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এবং এর পাশাপাশি,তিনি বাংলাদেশের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ডিএমসিএইচ) নাক-কান-গলা বিভাগের প্রখ্যাত গবেষক ও বিশেষজ্ঞ ডা. মোস্তফা কামাল আরেফিনের সাথে সহ-গবেষক ও পরামর্শদাতা হিসেবেও যুক্তহউন । তিনি ডা. মোস্তফা কামাল আরেফিনের সাথে ২০২০ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ঢাকার কয়েকটি হাসপাতালে কোভিড-১৯ থেকে সুরক্ষার লক্ষ্যে পোভিডোন-আয়োডিন-ভিত্তিক ওরো-ন্যাসাল স্প্রে নিয়ে পরিচালিত দুটি ভিন্ন মূল্যবান ও সফল জাতীয় ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে সহ-গবেষক হিসেবে কাজ করেছেন, সেই সময়ে যা বিশ্বজুড়ে কোভিড-১৯ চলাকালীন অন্যতম আলোচিত, প্রখ্যাত ও জনপ্রিয় গবেষণায় পরিণত হয়।

 

পুরস্কার প্রাপ্তির অনুভূতি ব্যক্ত করে তিনি বলেন, “এই সম্মাননা মহান সৃষ্টিকর্তার দান। এটি আমার বাবা-মা, পরিবার, শিক্ষক, সহকর্মী, রোগী এবং তাদের অভিভাবক ও সকল মানুষের ভালোবাসা, প্রার্থনা ও বিশ্বাসের ফল। এই স্বীকৃতি আমাকে ভবিষ্যতে আরও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করার অনুপ্রেরণা জোগাবে।”

 

 

তিনি আরও বলেন, “স্রষ্টার এবাদত ও সৃষ্টির সেবা” এই আদর্শে শৈশব থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে সকল জীব ও জীবনের জন্য কাজ করার প্রতি আমার গভীর আগ্রহ তৈরি হয়। বর্তমানে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে Cancer বিষয়ে পর্যাপ্ত সচেতনতা ও সেবা পৌঁছায়নি। দেশের মানুষ সঠিক সময়ে প্রয়োজনীয় Cancer রোগ নির্ণয় ও Cancer চিকিৎসা সেবা পাওয়ার সুযোগ পায়, অর্থের অভাবে আর বিনা চিকিৎসায় পিছিয়ে না থাকুক ও মৃত্যুর কোলে পতিত না হউক, তাই প্রাণপণে চেষ্টা চালিয়ে যাব ইনশাল্লাহ।”

 

 

বায়োমেডিক্যাল গবেষণার জন্য তাঁর এই অনন্য অবদান, মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং পেশাগত নিষ্ঠার স্বীকৃতি হিসেবেই BPA Best Professional Award 2026 অর্জন করেছেন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

 

 

সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

 

নাম: ড. ইঞ্জিনিয়ার আহ্সানুল কায়সার

 

পেশা: Independent Nano Researcher

 

শিক্ষা: PhD (Cancer Nanomedicine & Theranostic Nanoparticles), Monash University

 

সাম্প্রতিক অর্জন: Star Excellence Award; BPA Best Professional Award 2026 (Biomedical Research & Innovation)


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/