• বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ১১:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
আসামি সোহেল-স্বপ্না নিজেদের নির্দোষ দাবি করে আদালতে যা বললেন বাজেট তৈরি হচ্ছে সাধারণ মানুষের কথা বিবেচনায় নিয়ে: অর্থমন্ত্রী ঝালকাঠির নলছিটিতে জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল চট্টগ্রামের বর্জ্য থেকে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে আগ্রহী চীনা কনসোর্টিয়াম দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির পাঁয়তারা চলছে: মির্জা ফখরুল পতেঙ্গায় ৫ লাখ টাকার চোরাই কয়লা জব্দ ঢাকায় ঝালকাঠি জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মাসুদ মধু গ্রেপ্তার বাঁশখালীতে দীর্ঘদিনের রক্তক্ষয়ী বিরোধ নিরসনে এমপি জহিরুলের মধ্যস্থতা ভোক্তাপর্যায়ে এলপিজির দাম কমলো ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার সূচি আবারও পরিবর্তনের ইঙ্গিত

চট্টগ্রামের বর্জ্য থেকে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে আগ্রহী চীনা কনসোর্টিয়াম

Reporter Name / ৮ Time View
Update : বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬

 

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ

 

চট্টগ্রাম নগরের বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তর করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীনের সিভিয়া-চায়না হার্বার-অর্চার্ড কনসোর্টিয়াম। আধুনিক ওয়েস্ট-টু-এনার্জি প্রযুক্তি ব্যবহার করে নগরের আবর্জনা থেকে ৩০ থেকে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রস্তাব চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২ জুন) চসিকের টাইগারপাস কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় কনসোর্টিয়ামের প্রতিনিধিরা এ প্রস্তাব তুলে ধরেন। সভায় চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী এবং কনসোর্টিয়ামের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কনসোর্টিয়ামের প্রতিনিধিরা জানান, চীনে বর্জ্যভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে তাদের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি ইতোমধ্যে ৪১টি আধুনিক বর্জ্যনির্ভর বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ ও পরিচালনা করেছে। এসব প্রকল্পে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির মাধ্যমে একদিকে যেমন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হয়েছে, অন্যদিকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাধ্যমে জ্বালানি খাতেও অবদান রাখা হচ্ছে।

সভায় মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি চট্টগ্রামে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ বর্জ্য উৎপন্ন হয়। যথাযথ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এই বর্জ্যকে অর্থনৈতিক সম্পদে রূপান্তর করা সম্ভব। বিশ্বের উন্নত দেশগুলো বর্জ্যকে জ্বালানি ও সম্পদ হিসেবে ব্যবহার করছে, চট্টগ্রামেও সেই মডেল বাস্তবায়নের সুযোগ রয়েছে।

তিনি বলেন, “বর্জ্য অপসারণের পাশাপাশি এর অর্থনৈতিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। আবর্জনা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে পরিবেশ দূষণ কমবে, পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানির নতুন উৎস তৈরি হবে।”

তবে প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে এর কারিগরি সক্ষমতা, অর্থনৈতিক সম্ভাব্যতা ও পরিবেশগত প্রভাব গভীরভাবে পর্যালোচনা করা হবে বলে জানান মেয়র। তিনি বলেন, নগরবাসীর স্বার্থ ও পরিবেশগত নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সভায় প্রকল্পের সম্ভাব্য বিনিয়োগ, প্রযুক্তিগত কাঠামো এবং বাস্তবায়ন কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রামের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নের পাশাপাশি নগরের জ্বালানি নিরাপত্তা ও টেকসই উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/