মাসুম খান | ঝালকাঠি প্রতিনিধি: ১০ জুলাই ২০২৬
আসন্ন ঝালকাঠি সদর উপজেলার ৬ নম্বর বাসন্ডা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম নিয়ে আলোচনা চললেও ঝালকাঠি সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ খোকন মল্লিকের নামও স্থানীয়ভাবে আলোচিত হচ্ছে বলে দলীয় নেতাকর্মী ও স্থানীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে।
দলীয় সূত্রের দাবি, ছাত্ররাজনীতির মাধ্যমে রাজনৈতিক জীবনের সূচনা করা খোকন মল্লিক দীর্ঘদিন ধরে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ে সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বর্তমানে তিনি ঝালকাঠি সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন। দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়ন, সংগঠনকে সক্রিয় রাখা এবং তৃণমূল পর্যায়ে রাজনৈতিক যোগাযোগ বজায় রাখার ক্ষেত্রে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন বলেও তাঁর সমর্থকদের দাবি।
বাসন্ডা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা ও স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মীদের সঙ্গে এই প্রতিবেদক এর সাথে আলাপ কালে জানান, নির্বাচন ঘিরে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে ইতোমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ মনে করেন, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে খোকন মল্লিক মনোনয়ন পেলে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে থাকতে পারেন। তবে অন্যদের মতে, নির্বাচন সামনে আসার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন দলের আরও সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম সামনে আসতে পারে এবং তখন রাজনৈতিক সমীকরণে পরিবর্তন ঘটতে পারে।
সম্ভাব্য প্রার্থিতা প্রসঙ্গে খোকন মল্লিক বলেন, “দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয় এবং জনগণ তাদের মূল্যবান ভোটে নির্বাচিত করেন, তাহলে ৬ নম্বর বাসন্ডা ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, সুশাসিত, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও উন্নয়নমুখী ইউনিয়নে পরিণত করতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করব। মাদক, ইভটিজিং, বাল্যবিবাহ, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করে একটি নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও জনবান্ধব ইউনিয়ন গড়ে তোলাই হবে আমার অঙ্গীকার। জনগণের সুখ-দুঃখে সব সময় পাশে থেকে তাদের প্রত্যাশা বাস্তবায়নে কাজ করতে চাই।”
অন্যদিকে, স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে এখনই বিজয়-পরাজয়ের হিসাব করার সুযোগ নেই। তাঁদের ভাষ্য, দলীয় মনোনয়ন, প্রার্থীদের গ্রহণযোগ্যতা, নির্বাচনী প্রচারণা, স্থানীয় রাজনৈতিক সমীকরণ এবং নির্বাচনের সময়কার পরিস্থিতি—সবকিছু মিলিয়েই চূড়ান্ত ফল নির্ধারিত হবে।
এ বিষয়ে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অভিমত, সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা থাকলেও নির্বাচন কমিশনের তফসিল ঘোষণা, প্রার্থী মনোনয়ন এবং আইন ও বিধিমালা অনুসরণ করেই পরবর্তী সব কার্যক্রম সম্পন্ন হবে। তাই বর্তমানে যাঁদের নাম আলোচনায় রয়েছে, তাঁদের প্রার্থিতা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত নয়।
https://slotbet.online/