মাসুম খান,ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধি | ১০ জুলাই ২০২৬
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঝালকাঠি সদর উপজেলার ৫ নম্বর কীর্তিপাশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বিএনপি নেতা, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক ও সমাজসেবক মো. রেজাউল হাসান মুন্না। তিনি নিজেই তার প্রার্থিতার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মো. রেজাউল হাসান মুন্না কীর্তিপাশা ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনি স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেছেন। পেশাগতভাবে ব্যবসা ও সাংবাদিকতার পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। তার পিতা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন এবং মাতা মমতাজ বেগম।
রাজনৈতিক জীবনে তিনি বর্তমানে ঝালকাঠি সদর উপজেলা বিএনপির প্রবাসী কল্যাণবিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে ২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ঝালকাঠি জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি এবং ২০০৩ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত কীর্তিপাশা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তিনি দাবি করেন, ছাত্রজীবন থেকেই সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। এছাড়া ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে ঢাকায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন বলেও উল্লেখ করেন।
রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক কর্মকাণ্ডেও তার সম্পৃক্ততা রয়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, করোনাকালে অসহায় পরিবারের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ, শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র প্রদান, দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ বিতরণ এবং মসজিদ-মাদ্রাসার উন্নয়নে তিনি বিভিন্ন সময়ে সহযোগিতা করেছেন।
স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, কীর্তিপাশা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মধ্যে রেজাউল হাসান মুন্না তার শিক্ষাগত যোগ্যতা, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা ও সামাজিক সম্পৃক্ততার কারণে আলোচনায় রয়েছেন। তবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ, দলীয় মনোনয়ন এবং চূড়ান্ত ফলাফল নির্বাচন কমিশনের তফসিল ও সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।
চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত সম্পর্কে মো. রেজাউল হাসান মুন্না বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে কীর্তিপাশার মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। এলাকাবাসীর উৎসাহ ও সহযোগিতায় চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। জনগণের সমর্থনে নির্বাচিত হতে পারলে কীর্তিপাশাকে একটি মাদকমুক্ত, শিক্ষাবান্ধব ও আধুনিক ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করব। অবকাঠামো উন্নয়ন, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা এবং যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।”
তার প্রার্থিতার ঘোষণার পর কীর্তিপাশা ইউনিয়নের রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয় দলীয় নেতাকর্মী, শিক্ষক, ব্যবসায়ী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে আগ্রহ দেখা গেছে।
https://slotbet.online/