• শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সামান্য বৃষ্টিতেই উঠে গেল ঝালকাঠি পৌর শহরের নতুন সড়কের সিলকোট, কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন ঝালকাঠি শহরে পানিবন্ধি একটি অসহায় পরিবার  অভিযোগ বাক্স হতে পারে সুশাসন প্রতিষ্ঠার কার্যকর হাতিয়ার কীর্তিপাশা ইউপি নির্বাচন: চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা বিএনপি নেতা রেজাউল হাসান মুন্নার বিদেশে ১ কোটি দক্ষ কর্মী পাঠানোর পরিকল্পনা: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী ঢাকাসহ ৪ বিভাগে অতি ভারি বর্ষণের আভাস ঝালকাঠিকে আধুনিক মডেল পৌরসভা গড়ার অঙ্গীকার আনিসুর রহমান তাপুর কেওড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. শামীম আলম, দোয়া ও সমর্থন কামনা বাসন্ডা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন: সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় খোকন মল্লিক ঢাকাকে বসবাসের যোগ্য শহর হিসেবে গড়ে তুলতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

ঝালকাঠি শহরে পানিবন্ধি একটি অসহায় পরিবার 

Reporter Name / ১২ Time View
Update : শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬

 

ঝালকাঠি জেলা সংবাদদাতা:

ঝালকাঠি শহরের পূর্ব চাঁদকাঠি সরদার বাড়ীতে পানিবন্ধি একটি অসহায় পরিবার। কয়েক দিনের বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে শহরের নিম্নাঞ্চল। পানিবন্ধি হয়ে পড়েছে অনেক পরিবার। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় পূর্ব চাঁদকাঠি সরদার বাড়ীতে পানিবন্ধি হয়ে পড়েছে কয়েকটি পরিবার। তারমধ্যে করুন অবস্থায় জীবন যাপন করছে মরহুম আব্দুল আজাহার সরদারের স্ত্রী রিজিয়া বেগম (৮০)। অত্যান্ত জরাজীর্ণ বসত ঘরটুকু পানিতে তলিয়ে গেছে। তারমধ্যে মানবেতর জীবন যাপন করছে বয়োবৃদ্ধ রিজিয়া। সামান্য বৃষ্টি হলেই চাল দিয়ে পানি পড়ে এবং ঘরের ভেতর সবসময় পানি জমে থাকে। এই বর্ষায় বৃদ্ধ বয়সে তার পক্ষে এমন ঘরে বসবাস করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

 

ওই বাড়ির পাশের বাসিন্দা সমাজসেবক ও রাজনীতিবিদ বিপ্লব বলেন, “সকলে মিলে সামান্য সাহায্যই পারে এই অসহায় পরিবারটির মুখে হাসি ফোটাতে এবং তাদের মাথার ওপর একটি নিরাপদ বসবাসের ব্যবস্থা তৈরি করে দিতে।

তাই সমাজের সকল বৃত্তবান ও সহৃদয় ব্যক্তিবর্গের কাছে আকুল প্রার্থনা—যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী এই পরিবারটিকে সাহায্য করার জন্য এগিয়ে আসুন। আপনার দেওয়া সামান্য অনুদান বা সহযোগিতা এই পরিবারটির বড় একটি অবলম্বন হতে পারে।”

৮০ বছরের বিধবা বৃদ্ধা রিজিয়া বেগম বলেন, “আমি একজন গরীব অসহায় বিধবা নারী। আমার স্বামী মারা গেছে একযূগের বেশি সময় পার হয়েছে। আয় রোজগার করে খাওয়ানোর মতো উপার্জনক্ষম সামর্থ্যবান কোন লোক নাই। শেষ বয়সে একটু মাথা গোঁজার ঠাঁই করে কেউ আমাকে দিলে চির কৃতজ্ঞ থাকতাম। খেয়ে না খেয়ে ছিড়া কাপড় পড়ে আল্লাহকে ডেকে দিন কাটাই আর চিন্তা করি কখন মরণের ডাক আসবে।”

আমাদের সমাজে বহু মানুষ আছেন অনেক ক্ষমতাশালী অর্থ বিত্তের অধিকারী। তাদের চোখে যদি চোখ যদি এ ধরনের অশীতিপর বৃদ্ধের উপর পড়তো তাহলে সমাজের চিত্র পাল্টে যেত। সুখ দুঃখ ভাগাভাগি করে নেয়ার মানসিকতা আমাদের এখনো গড়ে ওঠেনি। তাই সরকারি ও সমাজপতিদের উচিত এ ব্যাপারে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা। ঝালকাঠি জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/