• শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সামান্য বৃষ্টিতেই উঠে গেল ঝালকাঠি পৌর শহরের নতুন সড়কের সিলকোট, কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন ঝালকাঠি শহরে পানিবন্ধি একটি অসহায় পরিবার  অভিযোগ বাক্স হতে পারে সুশাসন প্রতিষ্ঠার কার্যকর হাতিয়ার কীর্তিপাশা ইউপি নির্বাচন: চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা বিএনপি নেতা রেজাউল হাসান মুন্নার বিদেশে ১ কোটি দক্ষ কর্মী পাঠানোর পরিকল্পনা: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী ঢাকাসহ ৪ বিভাগে অতি ভারি বর্ষণের আভাস ঝালকাঠিকে আধুনিক মডেল পৌরসভা গড়ার অঙ্গীকার আনিসুর রহমান তাপুর কেওড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. শামীম আলম, দোয়া ও সমর্থন কামনা বাসন্ডা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন: সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় খোকন মল্লিক ঢাকাকে বসবাসের যোগ্য শহর হিসেবে গড়ে তুলতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

অভিযোগ বাক্স হতে পারে সুশাসন প্রতিষ্ঠার কার্যকর হাতিয়ার

Reporter Name / ১২ Time View
Update : শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬

 

মাসুম খান,ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধি:

রাষ্ট্রের উন্নয়ন শুধু অবকাঠামো নির্মাণে নয়, বরং জনগণের জন্য স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও হয়রানিমুক্ত সরকারি সেবা নিশ্চিত করার মধ্যেই প্রকৃত অর্থে প্রতিফলিত হয়। কিন্তু বাস্তবতায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে সেবা নিতে গিয়ে অনেক নাগরিককে অনাকাঙ্ক্ষিত ভোগান্তি, দীর্ঘসূত্রতা ও অনিয়মের মুখোমুখি হতে হয়। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে একটি সহজ কিন্তু কার্যকর উদ্যোগ হতে পারে প্রতিটি সরকারি দপ্তরে অভিযোগ বাক্স স্থাপন।

 

এমনই অভিমত ব্যক্ত করেছেন ঝালকাঠি জজ কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. ফয়সাল খান। তাঁর মতে, জনগণের অভিযোগ ও মতামত গ্রহণের জন্য একটি নিরপেক্ষ ও সহজলভ্য ব্যবস্থা থাকলে সরকারি সেবার মান উন্নয়নের পাশাপাশি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জবাবদিহিতাও বৃদ্ধি পাবে।

 

অ্যাডভোকেট মো. ফয়সাল খান প্রস্তাব করেন, প্রতিটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে স্থাপিত অভিযোগ বাক্সে জমা পড়া অভিযোগ প্রতি মাসে সাংবাদিক এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রতিনিধির উপস্থিতিতে পর্যালোচনা করা যেতে পারে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় তদন্ত ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে দুর্নীতি, অনিয়ম ও হয়রানি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে। একই সঙ্গে সেবাগ্রহীতারা নির্ভয়ে তাঁদের সমস্যা ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরার সুযোগ পাবেন।

 

অ্যাডভোকেট ফয়সাল খানের মতে, একটি কার্যকর অভিযোগ ব্যবস্থাপনা কেবল সমস্যার সমাধানই করবে না, বরং সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস আরও সুদৃঢ় করবে। এতে সুশাসনের ভিত্তি শক্তিশালী হবে এবং নাগরিকবান্ধব প্রশাসন গড়ে তোলার পথ আরও সহজ হবে।

 

তিনি আরও মনে করেন, জনবান্ধব, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসন প্রতিষ্ঠাই একটি আধুনিক, উন্নত ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনের অন্যতম পূর্বশর্ত। জনগণের মতামত ও অভিযোগকে যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে পারলে সরকারি সেবায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে এবং রাষ্ট্র ও নাগরিকের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা আরও দৃঢ় হবে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/