• মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ঝালকাঠি শহর সাতুরিয়ায় হেমায়েত হোসেন নুরু’র ঠিকাদারি কাজে অনিয়মের অভিযোগ  স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর মানসিক বিপর্যয়, রাণীশংকৈলে ইউপি সদস্যের মৃত্যু ঝালকাঠিতে আন্তর্জাতিক মানের নদীভিত্তিক ইকো-ট্যুরিজম হাব ও ‘ধানসিঁড়ি সাংস্কৃতিক পল্লী’ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব অনুমোদন পাইকগাছার বোয়ালিয়া ব্রিজ সড়ক বেহাল, খানাখন্দে ঝুঁকি নিয়ে চলে মানুষ নতুন ভোটার হওয়ার আবেদন ৩১ জুলাই পর্যন্ত নলছিটির সুবিদপুরে জুয়ার আসরে পুলিশের অভিযান, গ্রেপ্তার ২ মোল্লাহাট ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আব্দুল লতিফ মোল্লা: ‘জনগণের শাসক নয়, সেবক হতে চাই’ ঢাকায় চিকিৎসার পথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছে ধাক্কা; গুরুতর আহত কয়েকজনকে বরিশাল ও ঢাকায় পাঠানো হয়েছে সংরক্ষিত নারী আসনের কাউন্সিলর প্রার্থী শারমিন আক্তার রিতা কে নিয়ে ষড়যন্ত্র  নড়াগাতীতে ইউপি সদস্য মনি মিয়া হত্যা: তিনদিনেও হয়নি মামলা, খুনিদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন

ফুফা শ্বশুরের সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগে স্বামী হত্যা মামলার আসামি মিম নাটোর থেকে গ্রেপ্তার

Reporter Name / ১১৬ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬

 

 

ঝালকাঠি প্রতিবেদক:

ঝালকাঠিতে স্বামী নাইম তালুকদার হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মিম বেগম (২৪)-কে নাটোর জেলা থেকে গ্রেপ্তার করেছে ঝালকাঠি সদর থানা পুলিশ।

 

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঝালকাঠি সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শহীদুল ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত একটি অভিযানে সম্প্রতি নাটোর থেকে মিম বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ঝালকাঠি সদর উপজেলার কুনিহারী গ্রামে সংঘটিত আলোচিত নাইম তালুকদার হত্যা মামলার অন্যতম আসামি।

 

মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৩ নভেম্বর বিকেলে নাইম তালুকদারকে অসুস্থ অবস্থায় ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার সময় পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল, খালের ঘাটে গিয়ে পানিতে পড়ে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন।

 

তবে পরবর্তীতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিহতের চাচা মো. সোহেল হোসেন তালুকদার ঝালকাঠি সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, পারিবারিক বিরোধ এবং ফুফা শ্বশুরের সঙ্গে মিম বেগমের কথিত পরকীয়া সম্পর্ককে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে নাইম তালুকদারকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। পরে ঘটনাটি দুর্ঘটনা হিসেবে প্রচারের উদ্দেশ্যে মরদেহ পানিতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

 

মামলায় মিম বেগম ও জয়পুরহাট জেলার বাসিন্দা আমিরুলকে নামীয় আসামি করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ২-৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।

 

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারের পর মিম বেগমকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার অপর আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তবে মামলার এজাহারে উত্থাপিত পরকীয়া ও হত্যার অভিযোগ এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি। তদন্ত শেষে আদালতের রায়ের মাধ্যমেই অভিযোগের সত্যতা নির্ধারিত হবে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/