• রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ০৯:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ঝালকাঠিতে চা বিক্রেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, দোষীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি রাজাপুরে ডাকবাংলো দখল করে ওসি’র বসবাস, জনমনে ক্ষোভ কায়েদ সাহেব (রহঃ) এর ১৮ তম ইছালে ছওয়াব বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল  চট্টগ্রামে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত- ৩ ​চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিএনসির অভিযান ৭০০ গ্রাম গাঁজাসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার দেশ বাংলা ফাউন্ডেশনের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিষয়ক সচেতনতামূলক সভা  চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকবিরোধী সচেতনতায় ডিএনসি’র লিফলেট বিতরণ ইনভিশন টুয়েন্টিফোরে সংবাদ প্রকাশের পর ‘জর্দা শামিম’ রংপুরে গ্রেফতার, উদ্ধার অস্ত্র-গুলি তেলকুপি সীমান্তে ৫৯ বিজিবির অভিযান ৭টি ভারতীয় মোবাইল ফোন জব্দ ঝালকাঠীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব রেডক্রস রেডক্রিসেন্ট দিবস পালিত

ঝালকাঠি ২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী রাজ্জাক আলী সেলিম নিজের ফেসবুক আইডিতে ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণ 

Reporter Name / ২৩৫ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী, ২০২৬

 

রিয়াজুল ইসলাম বাচ্চু, ঝালকাঠি:ঝালকাঠি-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী রাজ্জাক আলী সেলিম নিজের ফেসবুক আইডিতে ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ষ্ট্যাটাস দিয়েছেন। তিনি ষ্ট্যাটাসে বলেন,

প্রিয় ঝালকাঠি–নলছিটিবাসী,আসসালামু আলাইকুম।

আমি সৈয়দ রাজ্জাক আলী (রাজ্জাক সেলিম) আপনাদেরই একজন।

১৯৯৮ সাল থেকেই আল্লাহর উপর ভরসা করে গরিব, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে আসছি। রাজনীতি করার আগেই আমার জীবনের লক্ষ্য ছিল—মানুষের দুঃখে পাশে থাকা। কারণ আমার শৈশব ও কৈশোর কেটেছে অভাব, অনটন আর দুঃখের হাহাকারে।

আল্লাহ যখন আমার দুঃখিনী মায়ের দোয়া কবুল করে ন্যায়ের পথে সচ্ছলতা দিয়েছেন, তখন মায়ের অনুমতি নিয়েই চারপাশের অভাবী মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করেছি। ধীরে ধীরে সেই সেবা গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে ছড়িয়ে পড়েছে।

আমি ঝালকাঠি উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে—

গড়ে ১০০–১৫০ পরিবারকে ঘর নির্মাণের জন্য টিন দিয়েছি।

৪৭৩টি গরিব পরিবারকে দুধের গরু দিয়েছি, যাতে তারা নিজেরা আয় করে সংসার চালাতে পারে।

৫৪ জন দুস্থ মুক্তিযোদ্ধার পরিবারকে আলাদা করে গরু দিয়েছি।

জীবিকার সুযোগ তৈরি করতে ৪৭৩টি রিকশা বিতরণ করেছি, যাতে অনেক পরিবার নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে।

যখন সরকারি বিনামূল্যে বই দেওয়ার ব্যবস্থা শুরু হয়নি, তখন থেকেই আমি নিজ উদ্যোগে প্রায় প্রতিটি হাই স্কুলে বিনামূল্যে বই সরবরাহ করেছি।

গরিব ছাত্র–ছাত্রীদের মাসিক স্টাইপেন্ড দিয়েছি।

ডাক্তার নিয়োগ করে— ৫,০০০-এর বেশি অসহায় রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ দিয়েছি।যাদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা সম্ভব হয়নি, তাদের ঢাকায় এনে থাকা–খাওয়াসহ চিকিৎসা করিয়েছি; এমনকি প্রয়োজনে ভারতেও চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি।

সল্পশিক্ষিত বেকার যুবকদের—বিনাসুদে ব্যবসার পুঁজি দিয়েছি—ভিক্ষুক নয়, কর্মক্ষম মানুষ বানানোর জন্য।

হাজার হাজার মানুষকে— শীতবস্ত্র, কাপড় ও লুঙ্গি (যাকাত) দিয়েছি।

এই কারণেই ২০০৯ সালের নির্বাচনে অনেকেই আমাকে “গরিবের বন্ধু” বলে আখ্যায়িত করেছিলেন।

২০০৯ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়েআমি ৫ বছর ২ মাস উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি।

এই সময়কালে—

সরকারি টাকায় এক কাপ চা পর্যন্ত খাইনি।

বরং নিজের টাকায় শত শত মানুষকে উপজেলা চত্বরে খাবার পরিবেশন করেছি এবং তাদের দুঃখ–দুর্দশার সাথী হয়েছি।

কোনো দুর্নীতি, জুলুম, হয়রানি বা কমিশনবাজির আশ্রয় নেইনি।

একজন মানুষের নামেও মিথ্যা মামলা বা অভিযোগ দেইনি।

শত শত মামলা সালিশে নিষ্পত্তি করে বিচারক সাহেবদের প্রশংসা পেয়েছি।

শিক্ষক, নৈশপ্রহরীসহ সকল সরকারি নিয়োগে দুর্নীতিমুক্ত থাকায় ক্ষমতাবানদের রোষানলে পড়লেও সাধারণ মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা পেয়েছি।

আমি দল–মত, ধর্ম–বর্ণ নির্বিশেষে

গরিব মানুষের আশ্রয়স্থল ছিলাম—আজও আছি, ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতেও থাকবো।

পরের পোস্টে ইনশাআল্লাহ বলবো—নির্বাচিত হলে নলছিটিকে নিয়ে আমার স্বপ্ন ও অঙ্গীকার।

আপনাদের দোয়া চাই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/