• বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ০৫:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বাংলায় লোক সংস্কৃতি চর্চায় জহিরগীতি’র অবিচ্ছিন্ন অংশ বাউল ছালমা  পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর সিনার উদ্যোগে গণমাধ্যমকর্মীর সম্মানে ইফতার মাহফিল  কুয়াকাটা পৌরসভায় মশক নিধন কার্যক্রম শুরু শিবগঞ্জ সীমান্তে ৫৯ বিজিবি’র পৃথক দুই অভিযানে ভারতীয় মাদকসহ আটক ১ ঝালকাঠি বাকশিস (সেলিম ভূঁইয়া)’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত  সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি’র চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাখায় দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত মালদ্বীপে এসএসপি’র উদ্যোগে প্রবাসী সাংবাদিকদের সম্মানে ইফতার মাহফিল চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‍্যাব-৫ অভিযানে মাদকসহ আটক ৩ হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এভসেকের সফল অভিযান: সৌদি আরবগামী যাত্রীর লাগেজ থেকে ৪,৩৬৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার ব্রহ্মপুত্রে নাব্যতা সংকট: ফেরি চলাচলে চিলমারী-রৌমারী রুটে ভোগান্তি

কেক কেটে মেয়েকে নিয়ে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিলেন মা

Reporter Name / ৫৫৪ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৬ মার্চ, ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক:  ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেয়ার আগে ১২ বছরের কন্যাসন্তান সামিয়া আক্তার মিমকে ভুলিয়ে রাখতে কিনেছিলেন জন্মদিনের কেক ও কোমল পানীয়। কিন্তু সেগুলো খেতে না খেতেই মেয়েকে জোর করে টেনে হিঁচড়ে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেন লাকি বেগম।

সোমবার (২৫ মার্চ) দুপুর আড়াইটার দিকে যশোরের সদর উপজেলার পোলতাডাঙ্গা শ্মশানঘাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত লাকি বেগম সদর উপজেলার বড়হৈবতপুর গ্রামের মোকছেদ আলীর মেয়ে। তার মেয়ের নাম সামিয়া আক্তার মিম (১২)। তারা মা-মেয়ে সাতমাইল বাজারে ভাড়া বাসায় থাকতেন।

স্থানীয়রা জানান, দুপুর আড়াইটার দিকে ওই নারী তার মেয়েকে নিয়ে রেললাইনের পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন। ঢাকাগামী বেনাপোল এক্সপ্রেসের ট্রেনটি আসা মাত্রই মেয়ের হাত ধরে টেনে হিঁচড়ে ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দেন তিনি। এতে তাদের শরীর বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে তারা গিয়ে দেখতে পান রেললাইনের পাশে একটি প্যাকেটে অর্ধেক খাওয়া জন্মদিনের কেক, কোমল পানীয় ও তাদের একটি ব্যাগ রয়েছে।

পরে ব্যাগে থাকা মোবাইল বের করে স্বজনদের দুর্ঘটনার সংবাদ জানানো হয়। খবর পেয়ে ওই নারীর বোন ও বোনজামাই ঘটনাস্থলে আসেন।

নিহতের বোন রোজিনা বেগম বলেন, সকালে বড় বোনকে কয়েক দফা ফোন দিয়েছিলাম। কিন্তু তিনি তা ধরেননি। এরপর সাতমাইল বাজারে তার ভাড়া বাসায় গিয়ে দেখি দরজায় তালা দেয়া। ভেবেছি ডাক্তারের কাছে গেছেন। পরে আশপাশের লোকজনের কাছে শুনতে পাই, রেললাইনের ধারে মা ও মেয়ের মরদেহ পড়ে রয়েছে।

তিনি বলেন, ১০ বছর আগে আমার বোনের সঙ্গে স্বামী কবীর আলীর ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। এরপর ছোট হৈবতপুর গ্রামের বাসিন্দা এজাজুল ইসলামের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। বছরখানেক আগে তার সঙ্গেও ছাড়াছাড়ি হয়ে গেলে বড় বোন তার একমাত্র মেয়েকে নিয়ে নিঃসঙ্গ জীবনযাপন করছিলেন। আপা প্রায়ই আত্মহত্যার কথা বলতেন।

ভগ্নিপতি জুম্মান‌ আলী বলেন, একাকীত্ব ও অভাবের মধ্যেই লাকির সংসার পরিচালিত হচ্ছিল। লাকি হাতের কাজ করলেও সংসার ঠিকভাবে চলতো না। আমি বাজার করে দিলে তা দিয়েই চলতো। আমার মনে হয় অভাবের কারণে তিনি এ পথ বেছে নিয়েছেন।

এ বিষয়ে পুলিশ জানায়, একাকীত্ব ও অভাবের কারণেই লাকি বেগম তার মেয়েকে নিয়ে আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় রেলওয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধারসহ পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/