• বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভায় অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত ​ ​চাঁপাইনবাবগঞ্জে এম এম হক আইডিয়াল স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত ​ ষড়যন্ত্রমূলক অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সজীব আহমেদ রানার তীব্র প্রতিবাদ ঝালকাঠিতে ইবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষকদের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান ঝালকাঠিতে ইভটিজিং এর অভিযোগে গণধোলাইয়ের শিকার কথিত সাংবাদিক লাশা মিজান  একুশে টেলিভিশনের ২৭ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে ঝালকাঠিতে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন  পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৬ কর্মকর্তাকে বদলি প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ আজ ঝালকাঠি দেশবাংলা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে নববর্ষের রেলী কিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোসলে মারা গেছেন

জীবননগরে জামায়াত কর্মী হত্যা মামলায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

Reporter Name / ৭৮ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬

 

আজিজুর রহমান স্টাফ রিপোর্টারঃ

 

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার হাসাদাহে পূর্ব বিরোধের জেরে জামায়াত ও বিএনপি মধ্যে সংঘর্ষে জামায়াত কর্মী হাফিজুর রহমানের মৃত্যুর ঘটনায় প্রধান আসামি মেহেদী হাসানকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে ডিবি পুলিশ।  আজ সোমবার সকালে চুয়াডাঙ্গা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের একটি দল দামুড়হুদা উপজেলার জয়রামপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।  মেহেদী হাসাদহ বাজার পাড়ার জসীমউদ্দীনের ছেলে।

 

ডিবি পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, গ্রেপ্তার মেহেদী হাসানকে সোমবার দুপুরে আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাকে চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

 

জানা গেছে, হাফিজুর রহমান হত্যা মামলার ঘটনায় তার ভাই আমির হোসেন ৯ জনের নাম উল্লেখ করে জীবননগর থানায় একটি এজহার দিয়েছে।

 

এ বিষয়ে জানতে  জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোলায়মান সেখকে ফোন করা হলে তিনি ধরেননি।

 

এ বিষয়ে সহকারী পুলিশ সুপার (দামুড়হুদা ও জীবননগর সার্কেল) মো. আনোয়ারুল কবীর বলেন, হাসাদাহের ঘটনায় রোববার এজহার হয়েছে।  ওটা মামলা রেকর্ডের প্রক্রিয়া চলমান।  কতজন আসামি জানতে চাইলে তিনি বলেন, এজহার দেখতে হবে।   খুব সম্ভব ৯ জন এজহারনামীয় আসামি।  আর ৭-৮ জন অজ্ঞাতনামা আসামি।  হত্যা মামলা হচ্ছে।

 

এর আগে গত শনিবার রাতে থানায় অভিযোগ দিতে গিয়ে হামলার শিকার হন হাসাদাহ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম মাষ্টার ও মেহেদীর বাবা জসীমউদ্দীন।  পরে তাদের ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।  এ বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী পুলিশ সুপার (দামুড়হুদা ও জীবননগর সার্কেল) মো. আনোয়ারুল কবীর বলেন, থানাতে হামলা হয়েছে বলতে, একজন জসিম ওনাকে আটক করা হয়েছিল।  থানা-পুলিশ আটক করেছিল।  আরেকজন সম্ভবত থানায় গিয়েছিল ওনাকে সম্ভবত জামায়াতের লোকজন জাপটে ধরেছিল।  ওসি সাহেব আমাকে এমনটি বলেছিল।  পরে তাদের ৫৪-এ চালান দিয়েছিলাম। তারা দুজনই এজহারনামীয় আসামি।  আজকে যে এজহার দায়ের হয়েছে তারা সেখানে এজহারনামীয় আসামি। একজন ৬ নম্বর আসামি আরেকজন ৯ নম্বর আসামি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/