• শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০১:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভায় অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত ​ ​চাঁপাইনবাবগঞ্জে এম এম হক আইডিয়াল স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত ​ ষড়যন্ত্রমূলক অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সজীব আহমেদ রানার তীব্র প্রতিবাদ ঝালকাঠিতে ইবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষকদের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান একুশে টেলিভিশনের ২৭ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে ঝালকাঠিতে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন  পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৬ কর্মকর্তাকে বদলি প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ আজ ঝালকাঠি দেশবাংলা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে নববর্ষের রেলী কিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোসলে মারা গেছেন সংবিধান সংস্কারের দাবিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

কাশিমপুর কারাগারে বন্দীদের স্বজনদের ভোগান্তি কমাতে গলফকার চালু

Reporter Name / ১২০ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

 

শেখ রাজীব হাসান –

 

গাজীপুর কাশিমপুর কারা কর্তৃপক্ষ বন্দীদের সঙ্গে দেখা করতে আসা স্বজনদের ভোগান্তি কমাতে মানবিক উদ্যোগ নিয়েছে। কারা কল্যাণ তহবিল থেকে প্রায় ২৬ লাখ টাকা ব্যয়ে চারটি আধুনিক গলফকার (ছোট বৈদ্যুতিক যান) ক্রয় করে দর্শনার্থীদের জন্য চালু করেছেন। ইতোমধ্যে এই সেবাটি দর্শনার্থীদের জন্য স্বস্তির নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের মূল ফটক (আরপি গেইট) থেকে সাক্ষাৎ কক্ষের দূরন্ত প্রায় ১ কিলোমিটার। এই পথ পাড়ি দিতে নানাবিধ ভোগান্তি পোহাতে হতো আগত স্বজনদের। বিশেষ করে নারী, শিশু, অসুস্থ ও বয়স্কদের জন্য ভোগান্তির মাত্রা ছিল আরো বেশি। অনেকেই রিকশার জন্য দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতেন, আবার অনেক সময় কোনো যানবাহন না পেয়ে বাধ্য হয়ে পায়ে হেঁটেই যেতে হতো। এই সুযোগে কিছু অসাধু রিকশাচালকের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। নতুন চালু হওয়া গলফকার সেবা সেই চিত্র অনেকটাই বদলে দিয়েছে। এখন দর্শনার্থীরা সহজেই এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্ধারিত সাক্ষাৎ স্থানে পৌঁছাতে পারছেন। ফলে সময় যেমন সাশ্রয় হচ্ছে, তেমনি কমেছে শারীরিক কষ্টও।

কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য দর্শনার্থীদের কষ্ট কমানো। পাশাপাশি সেবাকে সহজলভ্য করা এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। কারাবন্দীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রক্রিয়াকে আরো মানবিক, সুশৃঙ্খল ও স্বচ্ছ করতে এটি একটি কার্যকর পদক্ষেপ।

দর্শনার্থী ও বন্দীর স্বজনরা জানান, কাশিমপুর এই কারাগারের মধ্যে আলাদা আলাদা চারটি কারাগার রয়েছে। প্রতিদিন শতশত মানুষ আসেন বন্দীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে। পায়ে হেঁটে চলাচল কষ্ট, তাছাড়া রিকশাভাড়াও ছিল বেশি। গলফকার চালু করায় ভোগান্তি কমে গেছে৷ এখন মূল গেইট স্বজনদের নিয়ে সাক্ষাৎ কক্ষে নামিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এই উদ্যোগটি সবার পছন্দ হয়েছে।

কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এর সিনিয়র জেল সুপার আল মামুন বলেন, “স্বজনদের কষ্ট লাঘব করার জন্যই আমাদের এই প্রচেষ্টা। মোট চারটি গলফকার কেনা হয়েছে। ভবিষ্যতেও আমরা আরো জনবান্ধব উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনা করছি।

##

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/