• বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ১০:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে গুলশান লেকের উন্নয়ন নিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত সুন্দরবন উপকূলে মৌচাষের ব্যাপক সম্ভাবনা ডিজিটাল সক্ষমতা ছাড়া রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ও উন্নয়ন ঝুঁকিতে পড়বে : তথ্যমন্ত্রী ঈদযাত্রায় ঝুঁকিমুক্ত নিরাপদ নৌযানে চলাচল করতে চান উপকূলবাসী আশুলিয়ায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৪   চাঁপাইনবাবগঞ্জে তিন দিনব্যাপী ভূমি মেলা-২০২৬ উদ্বোধন ইতিহাসের একটি দলিল এবং আগামী প্রজন্মের জন্য এক প্রেরণার উৎস হবে বইটি এসএম জিলানী, এমপি ফায়ার সার্ভিস মহাপরিচালকের “দূর্নীতির ক্যাশিয়ার” রেজায়ে রাব্বি! ঝালকাঠিতে দুর্নীতির অভিযোগে কলেজ অধ্যক্ষের কক্ষে তালা, অপসারণ দাবিতে সংবাদ সম্মেলন দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন নবনিযুক্ত ডিএমপি কমিশনার জনাব মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ

ঈদযাত্রায় ঝুঁকিমুক্ত নিরাপদ নৌযানে চলাচল করতে চান উপকূলবাসী

Reporter Name / ১০ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬

সূত্র বাসস  : নদী ও সাগর বেষ্টিত দেশের একমাত্র দ্বীপজেলা ভোলার উপকূলীয় মানুষের চলাচলের একমাত্র বাহন হচ্ছে নৌযান। আর সেই নৌযানগুলো যদি অনির্ভরযোগ্য ও ফিটনেসবিহীন হয়, তাহলে সাধারণ যাত্রীদের সীমাহীন কষ্ট আর অন্তহীন জীবনের ঝুঁকি যেনো আরো কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়।

 

উপকূলীয় জেলা ভোলার ২২ লাখ মানুষের এমন জীবন যেনো উত্তাল নদীর স্রোতের তোড়ে বন্দী হয়ে আছে। চারদিকে নদী বেষ্টিত দ্বীপ জনপদের মানুষের এ জেলা থেকে অন্য জনপদে যেতে নৌযান ছাড়া বিকল্প কোনো ব্যবস্থা নেই। জেলার ৭ উপজেলা হতে প্রতিদিন প্রায় ২০ হাজার মানুষের লঞ্চসহ বিভিন্ন নৌযানে ঢাকা, বরিশাল ও চট্টগ্রামসহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে চলাচল করতে হয়।

 

ভোলা-ঢাকা রুটে প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ টি যাত্রীবাহী লঞ্চ যাতায়াত করে থাকে। বছরের দুই ঈদে এসব লঞ্চের

 

সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে যায়। এসময় একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী বাড়তি আয়ের ধান্ধায় নৌপথে ফিটনেসবিহীন লক্করঝক্কর টাইপের লঞ্চগুলো নদীতে নামিয়ে থাকেন বলে অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে।

 

ঈদ মৌসুম আসলেই লঞ্চ মালিকরা পুরো উপকূলজুড়ে নিম্নমানের লঞ্চগুলো চালিয়ে থাকে। যার ফলে উত্তাল নদীতে যেকোনো সময়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে।

 

নৌ বিশেষজ্ঞদের মতে, লঞ্চ দুর্ঘটনার কারণ ফিটনেসবিহীন বডি, সি সার্ভে না থাকা, অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন, ঘূর্ণিঝড়, নির্মাণ ও যান্ত্রিক ত্রুটি, লঞ্চে লঞ্চে পাল্লা, মুখোমুখি সংঘর্ষ, মাস্টারের গাফিলতি ও ডুবোচরে আটকানো ইত্যাদি।

 

অতীতের তিক্ত অভিজ্ঞতা ও নৌ চলাচলের সেই ভয়ঙ্কর ইতিহাস বিবেচনা করে এবার ঈদুল আজহার মৌসুমে উপকূলীয় জেলা ভোলাসহ দক্ষিণাঞ্চলের জনসাধারণ নতুন সরকারের কাছে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা আশা করছেন।

 

এ বিষয়ে বাংলাদেশ লঞ্চ মালিক সমিতির সভাপতি ও মেসার্স এ রহমান এন্ড সন্স’র মালিক আলহাজ্ব গোলাম নবী আলমগীরের সাথে কথা হয়।

 

তিনি বাসস’কে বলেন, বর্তমান সরকার নৌপথের যাত্রীদের নিরাপত্তার বিষয়ে খুবই যত্মশীল। নৌপথে আর ফিটনেসবিহীন লঞ্চ চালাতে দেয়া হবেনা। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষও এ ব্যাপারে সতর্ক রয়েছে।

 

এ বিষয়ে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নো-পরিবহন কতৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)’র ভোলার সহকারী পরিচালক নির্মল কুমার রায় বাসস’কে বলেন, ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ভোলার প্রতিটি নৌপথে যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে প্রশাসন, নৌ-পুলিশ, কোস্টগার্ড ও বিআইডব্লিউটিএ’র সমন্বয়ে বিশেষ টাস্কফোর্স কাজ করছে।

 

তিনি বলেন, এবার ঈদ মৌসুমেও অবৈধ নৌযান চলাচল বন্ধে কঠোর নজরদারির পাশাপাশি আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। অবৈধ নৌযানের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ইতিমধ্যেই নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

 

এ বিষয়ে ভোলার পুলিশ সুপার মো.শহিদুল্লাহ কাওছার গত শনিবার (১৬ মে) গণমাধ্যমকে জানান, আসন্ন ঈদুল আজহায় ভোলা উপকূলের প্রতিটি নৌরুটে লঞ্চযাত্রা ঝুঁকিমুক্ত ও যাত্রীদের নিরাপত্তায় পুলিশের বেশ কয়েকটি চৌকস টিম কাজ করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/