• রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ০৭:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ঢাকা বিমানবন্দরে এয়ারপোর্ট এপিবিএন কর্তৃক অজ্ঞান পার্টির মূলহোতা আটক : অভিযান চালিয়ে ৫৫টি মোবাইল ফোন ও বিপুল পরিমাণ মালামাল উদ্ধার* বিলভাতিয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযান ১৯৮ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় সিরাপ আটক চট্টগ্রামে কোরবানির হাটের দরপতন, রাজস্ব হারানোর শঙ্কায় চসিক সুপ্রিম কোর্ট হেল্পলাইনে সেবা পাচ্ছেন বিচারপ্রার্থী জনগণ একটি মহল রাজনীতির নামে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে, সতর্ক থাকুন : প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণের দামে বড় পতন আগামী বাজেটে ফ্যামিলি কার্ডে বড় বরাদ্দের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর ঝালকাঠির গাবখানে ভুমি জবর দখলের নিউজ প্রকাশের পর পূর্বের সাইনবোর্ড পরিবর্তন করে তারকাটার বেড়া নির্মাণ  ঝালকাঠি রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত  ঝালকাঠির সমস্যাসমূহ চিহ্নিত করে সমাধানের চেষ্টা করবো: জীবা আমীনা খান এমপি 

ঢাকা বিমানবন্দরে এয়ারপোর্ট এপিবিএন কর্তৃক অজ্ঞান পার্টির মূলহোতা আটক : অভিযান চালিয়ে ৫৫টি মোবাইল ফোন ও বিপুল পরিমাণ মালামাল উদ্ধার*

Reporter Name / ১১ Time View
Update : রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬

প্রেস রিলিজ

 

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অজ্ঞান পার্টির মূলহোতা মোঃ তাজুল ইসলাম (৪৮)-কে আটক করেছে এয়ারপোর্ট (১৩) আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)।

 

১৬ মে ২০২৬ খ্রি. তারিখে ভুক্তভোগী আরাফাত হোসেন (১৮) তার খালাতো ভাইকে বিদায় জানাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসেন। বিদায় পর্ব শেষে ডিপার্চার এলাকায় অবস্থানকালে ভুক্তভোগী আরাফাত হোসেন (১৮) সরল বিশ্বাসে আসামি মোঃ তাজুল ইসলাম (৪৮) কর্তৃক প্রদত্ত কফি পান করেন এবং পরবর্তীতে অজ্ঞান হয়ে পড়েন।

 

আসামিকে এপিবিএন কর্তৃক গ্রেফতারপূর্বক প্রাথমিকভাবে তার দেহ ও ব্যাগ তল্লাশি করে ভুক্তভোগী আরাফাত হোসেন (১৮)-এর দুটি মোবাইল ফোন ও কিছু নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও তার ব্যাগ থেকে প্রায় ১৫ পিস চেতনানাশক ট্যাবলেট পাওয়া যায়।

 

জিজ্ঞাসাবাদে আসামি মোঃ তাজুল ইসলাম জানান,

“আমরা বাস বা রেলস্টেশনে গিয়ে টার্গেট করা ব্যক্তিদের সঙ্গে কথাবার্তার মাধ্যমে ঘনিষ্ঠতা তৈরি করি। পরবর্তীতে চা, কফি বা সফট ড্রিংকের সঙ্গে চেতনানাশক ওষুধ মিশিয়ে তাদের অজ্ঞান করে মালামাল হাতিয়ে নিই। নিজেদের সন্দেহমুক্ত রাখতে মাঝে মাঝে শারীরিকভাবে অক্ষম বা অসুস্থ ব্যক্তির অভিনয়ও করি, যাতে ভিকটিম সন্দেহ না করে।”

 

আসামির দেওয়া তথ্যমতে, তিনি আরও ৪/৫ জন ব্যক্তির সমন্বয়ে (অজ্ঞাতনামা আসামি) একটি অজ্ঞান পার্টির গ্যাং গড়ে তুলেছেন এবং চুরিকৃত মালামাল মিরপুরের দারুসসালাম এলাকার একটি আবাসিক হোটেলের কক্ষে সংরক্ষণ করে রাখতেন।

 

উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে এয়ারপোর্ট (১৩) এপিবিএন-এর সহকারী পুলিশ সুপার ফাউজুল কবীর মঈনের নেতৃত্বে একটি চৌকস দল দারুসসালাম এলাকার হোটেল রয়েলে অভিযান পরিচালনা করে ৫৫টি বিভিন্ন মডেলের মোবাইল ফোন, ১০টি বিভিন্ন মডেলের এয়ারবাড হেডফোন, ১৫টি হাতঘড়ি, ৪ পিস চেতনানাশক ট্যাবলেট, ২টি চেতনানাশক পুরিয়া, নগদ বাংলাদেশি ২,২৩,০০০/- টাকা, সৌদি আরবের ৫৩.৫০ রিয়াল, তুরস্কের ১ লিরা এবং বিভিন্ন মালামাল উদ্ধার করে।

 

অজ্ঞান পার্টির মূলহোতা ধৃত মোঃ তাজুল ইসলাম (৪৮)-এর বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী আরাফাত হোসেন (১৮) বাদী হয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার বিমানবন্দর থানায় অদ্য ১৭/০৫/২০২৬ খ্রি. তারিখে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন।

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এয়ারপোর্ট (১৩) আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপারেশনস্) জনাব অনিতা রানী সূত্রধর বলেন,

“বিমানবন্দর এলাকায় অজ্ঞান পার্টি প্রতিরোধ, চোরাচালান রোধ এবং অন্যান্য অপরাধ দমনে এয়ারপোর্ট এপিবিএন বরাবরের মতোই সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। এ ধরনের অপতৎপরতা রোধে এয়ারপোর্ট এপিবিএন বদ্ধপরিকর। বিমানবন্দর এলাকায় অজ্ঞান পার্টি প্রতিরোধ ও অন্যান্য অপরাধ দমনে আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/