মাসুম খান ঝালকাঠি:
ঝালকাঠির কৃতী সন্তান ডা: এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী নিয়োগ
সংক্রান্ত সরকারি গেজেট বুধবার (২২ এপ্রিল) প্রকাশের পর থেকেই রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী মহলে তাকে ঘিরে অভিনন্দন ও প্রত্যাশার সুর আরও জোরালো হয়েছে।
বিশেষ করে ঝালকাঠি জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ্যাড. মোঃ শাহাদাৎ হোসেন এবং বিএনপি’র পক্ষ থেকে জেলা বিএনপির আহবায়ক এ্যাড. মোঃ সৈয়দ হোসেন সহ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্যবৃন্দ, আওতাধীন ইউনিট সমুহ এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা তাকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ড. হায়দারকে নিয়ে নানা ইতিবাচক মন্তব্য, তার পূর্ববর্তী কর্মময় জীবনের স্মৃতিচারণ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করা হচ্ছে। অনেকে মনে করছেন, তার এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বপ্রাপ্তি ঝালকাঠির স্বাস্থ্যখাতসহ সার্বিক উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। এদিকে পেশাজীবি সংগঠনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে ঝালকাঠি প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ আক্কাস সিকদার এবং সাধারণ সম্পাদক এস এম মাহামুদুর রহমান পারভেজ, ঝালকাঠি রিপোটার্স ক্লাবের সভাপতি এ্যাড. মিজানুর রহমান মুবিন, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক রিয়াজুল ইসলাম বাচ্চু, বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতি-বাকশিস (সেলিম ভুইয়া) এর সভাপতি অধ্যাপক এস এম এজাজ হাসান শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন জানিয়ে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমে বিএনপি চেয়ারম্যান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।
ড. জিয়াউদ্দিন হায়দারের কর্মজীবন দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও জনসম্পৃক্ততার উজ্জ্বল উদাহরণ। চিকিৎসা পেশায় তিনি যেমন সুনাম অর্জন করেছেন, তেমনি স্বাস্থ্যনীতি ও জনস্বাস্থ্য বিষয়ক বিভিন্ন কার্যক্রমেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। দেশের স্বাস্থ্যখাতে নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে তার চিন্তাধারা ও অভিজ্ঞতা ইতোমধ্যে বিভিন্ন মহলে প্রশংসিত হয়েছে।
রাজনৈতিক অঙ্গনেও ড. হায়দার পরিচিত একটি নাম। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে দলীয় কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিশেষ করে বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি দলীয় সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি, নীতিনির্ধারণী আলোচনায় অংশগ্রহণ এবং তৃণমূলের সঙ্গে কেন্দ্রের সংযোগ সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তার এই অভিজ্ঞতা বর্তমান দায়িত্ব পালনে সহায়ক হবে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
ঝালকাঠির রাজনৈতিক অঙ্গনেও ড. হায়দারের প্রভাব সুস্পষ্ট। জেলার উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, তরুণদের রাজনীতিতে সম্পৃক্তকরণ এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে তিনি বিভিন্ন সময়ে উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার সুসম্পর্ক এবং জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা তাকে একটি শক্ত অবস্থানে নিয়ে গেছে।
সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, নতুন দায়িত্বে থেকে ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার জাতীয় পর্যায়ে স্বাস্থ্যখাতে কার্যকর ভূমিকা রাখার পাশাপাশি ঝালকাঠির উন্নয়নেও বিশেষ নজর দেবেন। উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা, আধুনিক চিকিৎসা সুবিধা সম্প্রসারণ এবং জনস্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে তিনি জেলার মানুষের প্রত্যাশা পূরণে সক্ষম হবেন—এমনটাই বিশ্বাস সবার।
সব মিলিয়ে, ড. জিয়াউদ্দিন হায়দারের এই নিয়োগ শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং ঝালকাঠির জন্যও এক গর্বের বিষয়। তার নেতৃত্ব, অভিজ্ঞতা ও দূরদর্শিতা আগামী দিনে ইতিবাচক পরিবর্তন বয়ে আনবে—এমন প্রত্যাশাই এখন সবার।
https://slotbet.online/