• বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ০৬:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বর্জ্য অব্যবস্থাপনায় বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি: ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার ইউনিয়নেই চিকিৎসা পৌঁছাবে, হাসপাতালে চাপ কমানোর পরিকল্পনা সরকারের –ড. জিয়া হায়দার রাজাপুরে জুলাই যোদ্ধার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন দুস্থ মানুষের পাশে ঢাকাস্থ নথুল্লাবাদ ইউনিয়ন কল্যাণ সমিতি শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন: শিক্ষকদের জীবনমান উন্নয়নই কি মূল চাবিকাঠি: রেজাউল করিম ঝালকাঠিতে পরিবেশ রক্ষায় বিষেশ নাগরিক সভা নবগ্রামে স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক খলিলের আয়োজনে ইফতার মাহফিল  নববধূকে নিয়ে আকাশপথে গ্রামে আগমন, নজর কাড়লেন সুমন দেশবাসীকে বিরোধীদলীয় নেতার ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা ঝালকাঠিতে যুবদল নেতার উদ্যোগে ১৫শ মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ

ঝালকাঠি ২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী রাজ্জাক আলী সেলিম নিজের ফেসবুক আইডিতে ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণ 

Reporter Name / ৮৮ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী, ২০২৬

 

রিয়াজুল ইসলাম বাচ্চু, ঝালকাঠি:ঝালকাঠি-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী রাজ্জাক আলী সেলিম নিজের ফেসবুক আইডিতে ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ষ্ট্যাটাস দিয়েছেন। তিনি ষ্ট্যাটাসে বলেন,

প্রিয় ঝালকাঠি–নলছিটিবাসী,আসসালামু আলাইকুম।

আমি সৈয়দ রাজ্জাক আলী (রাজ্জাক সেলিম) আপনাদেরই একজন।

১৯৯৮ সাল থেকেই আল্লাহর উপর ভরসা করে গরিব, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে আসছি। রাজনীতি করার আগেই আমার জীবনের লক্ষ্য ছিল—মানুষের দুঃখে পাশে থাকা। কারণ আমার শৈশব ও কৈশোর কেটেছে অভাব, অনটন আর দুঃখের হাহাকারে।

আল্লাহ যখন আমার দুঃখিনী মায়ের দোয়া কবুল করে ন্যায়ের পথে সচ্ছলতা দিয়েছেন, তখন মায়ের অনুমতি নিয়েই চারপাশের অভাবী মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করেছি। ধীরে ধীরে সেই সেবা গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে ছড়িয়ে পড়েছে।

আমি ঝালকাঠি উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে—

গড়ে ১০০–১৫০ পরিবারকে ঘর নির্মাণের জন্য টিন দিয়েছি।

৪৭৩টি গরিব পরিবারকে দুধের গরু দিয়েছি, যাতে তারা নিজেরা আয় করে সংসার চালাতে পারে।

৫৪ জন দুস্থ মুক্তিযোদ্ধার পরিবারকে আলাদা করে গরু দিয়েছি।

জীবিকার সুযোগ তৈরি করতে ৪৭৩টি রিকশা বিতরণ করেছি, যাতে অনেক পরিবার নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে।

যখন সরকারি বিনামূল্যে বই দেওয়ার ব্যবস্থা শুরু হয়নি, তখন থেকেই আমি নিজ উদ্যোগে প্রায় প্রতিটি হাই স্কুলে বিনামূল্যে বই সরবরাহ করেছি।

গরিব ছাত্র–ছাত্রীদের মাসিক স্টাইপেন্ড দিয়েছি।

ডাক্তার নিয়োগ করে— ৫,০০০-এর বেশি অসহায় রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ দিয়েছি।যাদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা সম্ভব হয়নি, তাদের ঢাকায় এনে থাকা–খাওয়াসহ চিকিৎসা করিয়েছি; এমনকি প্রয়োজনে ভারতেও চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি।

সল্পশিক্ষিত বেকার যুবকদের—বিনাসুদে ব্যবসার পুঁজি দিয়েছি—ভিক্ষুক নয়, কর্মক্ষম মানুষ বানানোর জন্য।

হাজার হাজার মানুষকে— শীতবস্ত্র, কাপড় ও লুঙ্গি (যাকাত) দিয়েছি।

এই কারণেই ২০০৯ সালের নির্বাচনে অনেকেই আমাকে “গরিবের বন্ধু” বলে আখ্যায়িত করেছিলেন।

২০০৯ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়েআমি ৫ বছর ২ মাস উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি।

এই সময়কালে—

সরকারি টাকায় এক কাপ চা পর্যন্ত খাইনি।

বরং নিজের টাকায় শত শত মানুষকে উপজেলা চত্বরে খাবার পরিবেশন করেছি এবং তাদের দুঃখ–দুর্দশার সাথী হয়েছি।

কোনো দুর্নীতি, জুলুম, হয়রানি বা কমিশনবাজির আশ্রয় নেইনি।

একজন মানুষের নামেও মিথ্যা মামলা বা অভিযোগ দেইনি।

শত শত মামলা সালিশে নিষ্পত্তি করে বিচারক সাহেবদের প্রশংসা পেয়েছি।

শিক্ষক, নৈশপ্রহরীসহ সকল সরকারি নিয়োগে দুর্নীতিমুক্ত থাকায় ক্ষমতাবানদের রোষানলে পড়লেও সাধারণ মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা পেয়েছি।

আমি দল–মত, ধর্ম–বর্ণ নির্বিশেষে

গরিব মানুষের আশ্রয়স্থল ছিলাম—আজও আছি, ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতেও থাকবো।

পরের পোস্টে ইনশাআল্লাহ বলবো—নির্বাচিত হলে নলছিটিকে নিয়ে আমার স্বপ্ন ও অঙ্গীকার।

আপনাদের দোয়া চাই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/