• বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ০৬:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বর্জ্য অব্যবস্থাপনায় বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি: ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার ইউনিয়নেই চিকিৎসা পৌঁছাবে, হাসপাতালে চাপ কমানোর পরিকল্পনা সরকারের –ড. জিয়া হায়দার রাজাপুরে জুলাই যোদ্ধার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন দুস্থ মানুষের পাশে ঢাকাস্থ নথুল্লাবাদ ইউনিয়ন কল্যাণ সমিতি শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন: শিক্ষকদের জীবনমান উন্নয়নই কি মূল চাবিকাঠি: রেজাউল করিম ঝালকাঠিতে পরিবেশ রক্ষায় বিষেশ নাগরিক সভা নবগ্রামে স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক খলিলের আয়োজনে ইফতার মাহফিল  নববধূকে নিয়ে আকাশপথে গ্রামে আগমন, নজর কাড়লেন সুমন দেশবাসীকে বিরোধীদলীয় নেতার ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা ঝালকাঠিতে যুবদল নেতার উদ্যোগে ১৫শ মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ

হুমকিতে লালমনিরহাট-রংপুর তিস্তা সড়ক সেতু 

Reporter Name / ১৩৩ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

 

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর।

 

ভারত থেকে নেমে আসা পানির ঢলে বৃদ্ধি পেয়েছে তিস্তা নদীর পানি। এতে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে লালমনিরহাটের কাকিনা- রংপুরের গঙ্গাচড়া সড়কে দ্বিতীয় তিস্তা সেতু রক্ষা বাঁধে। বুধবার প্রায় ৮০০ মিটার দীর্ঘ এই বাঁধের অন্তত ৭০ মিটার নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এতে হুমকিতে পড়েছে দ্বিতীয় তিস্তা সেতু এবং রংপুর-লালমনিরহাট সড়ক। বুধবার তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমা ছুই করলেও বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পানি বিপদসীমার ১৫ সে:মি: নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

 

জানা গেছে, উত্তরাঞ্চলের অন্যতম ব্যস্ত এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন ৩০ থেকে ৩৫ হাজার মানুষ চলাচল করে। বাঁধ সম্পূর্ণ ভেঙে গেলে বন্ধ হয়ে যেতে পারে এ অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ এই যোগাযোগব্যবস্থা।

 

সরে জমিনে দেখা গেছে, গঙ্গাচড়া উপজেলার লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নের মহিপুর এলাকায় দ্বিতীয় তিস্তা সেতুর উত্তর প্রান্তে সেতু রক্ষা বাঁধের বড় অংশ ভেঙে গেছে। এ নিয়ে আতঙ্কে রয়েছে স্থানীয়রা।

 

জানতে চাইলে সেতু এলাকার বাসিন্দা বুলবুল মিয়া বলেন, ‘প্রথমে ছোট ফাটল ছিল। ৪-৫ মাস ধরে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এখন তিস্তার পানি বাড়ায় বাঁধের বিশাল অংশ নদীতে বিলীন হয়ে গেছে।

 

স্থানীয় পথচারী সাবিবুর রহমান বলেন, যেভাবে বাঁধ ভেঙে যাচ্ছে, পানি বাড়লে সেতুটি পুরোপুরি ঝুঁকিতে পড়বে। লক্ষ্মীটারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদী বলেন, এটি একটি ব্যস্ততম সড়ক ও সেতু। দ্রুত কাজ শুরু না হলে পুরো বাঁধ ভেঙে সেতুটি হুমকির মুখে পড়বে।

 

রংপুর জেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, এর আগে ভাঙন ছিল না। আজকে আমরা ভাঙনের বিষয়টি জেনেছি এবং মেরামতের কাজ করছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/