• বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০২:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ঝালকাঠি পৌর প্রশাসক ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন ঋণের চাপ সইতে না পেরে ঠাকুরগাঁওয়ে বৃদ্ধের আত্মহত্যার অভিযোগ নলছিটির সুবিদপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় বাবলু তালুকদার সুগন্ধা নদীর ওপর সেতু নির্মাণে নতুন আশার আলো, পরিদর্শনে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ঐতিহ্যবাহী নথুল্লাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনা হবে: এডহক কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট আল আমিন পুলিশ লাইনস স্কুল পরিদর্শন করেন পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস সাভারে দুই এএসআই ও কনস্টেবল প্রত্যাহার চাঁপাইনবাবগঞ্জে যুবদলের প্রতিরোধ ও বিক্ষোভ মিছিল চাঁপাইনবাবগঞ্জে নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে ব্র্যাকের অ্যাডভোকেসি ডায়ালগ অনুষ্ঠিত ট্রাস্কফোর্স অভিযানে একাধিক মামলার আসামি নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার; ইয়াবা, হেরোইন ও গাঁজা উদ্ধার

কেক কেটে মেয়েকে নিয়ে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিলেন মা

Reporter Name / ৬৫১ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৬ মার্চ, ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক:  ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেয়ার আগে ১২ বছরের কন্যাসন্তান সামিয়া আক্তার মিমকে ভুলিয়ে রাখতে কিনেছিলেন জন্মদিনের কেক ও কোমল পানীয়। কিন্তু সেগুলো খেতে না খেতেই মেয়েকে জোর করে টেনে হিঁচড়ে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেন লাকি বেগম।

সোমবার (২৫ মার্চ) দুপুর আড়াইটার দিকে যশোরের সদর উপজেলার পোলতাডাঙ্গা শ্মশানঘাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত লাকি বেগম সদর উপজেলার বড়হৈবতপুর গ্রামের মোকছেদ আলীর মেয়ে। তার মেয়ের নাম সামিয়া আক্তার মিম (১২)। তারা মা-মেয়ে সাতমাইল বাজারে ভাড়া বাসায় থাকতেন।

স্থানীয়রা জানান, দুপুর আড়াইটার দিকে ওই নারী তার মেয়েকে নিয়ে রেললাইনের পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন। ঢাকাগামী বেনাপোল এক্সপ্রেসের ট্রেনটি আসা মাত্রই মেয়ের হাত ধরে টেনে হিঁচড়ে ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দেন তিনি। এতে তাদের শরীর বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে তারা গিয়ে দেখতে পান রেললাইনের পাশে একটি প্যাকেটে অর্ধেক খাওয়া জন্মদিনের কেক, কোমল পানীয় ও তাদের একটি ব্যাগ রয়েছে।

পরে ব্যাগে থাকা মোবাইল বের করে স্বজনদের দুর্ঘটনার সংবাদ জানানো হয়। খবর পেয়ে ওই নারীর বোন ও বোনজামাই ঘটনাস্থলে আসেন।

নিহতের বোন রোজিনা বেগম বলেন, সকালে বড় বোনকে কয়েক দফা ফোন দিয়েছিলাম। কিন্তু তিনি তা ধরেননি। এরপর সাতমাইল বাজারে তার ভাড়া বাসায় গিয়ে দেখি দরজায় তালা দেয়া। ভেবেছি ডাক্তারের কাছে গেছেন। পরে আশপাশের লোকজনের কাছে শুনতে পাই, রেললাইনের ধারে মা ও মেয়ের মরদেহ পড়ে রয়েছে।

তিনি বলেন, ১০ বছর আগে আমার বোনের সঙ্গে স্বামী কবীর আলীর ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। এরপর ছোট হৈবতপুর গ্রামের বাসিন্দা এজাজুল ইসলামের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। বছরখানেক আগে তার সঙ্গেও ছাড়াছাড়ি হয়ে গেলে বড় বোন তার একমাত্র মেয়েকে নিয়ে নিঃসঙ্গ জীবনযাপন করছিলেন। আপা প্রায়ই আত্মহত্যার কথা বলতেন।

ভগ্নিপতি জুম্মান‌ আলী বলেন, একাকীত্ব ও অভাবের মধ্যেই লাকির সংসার পরিচালিত হচ্ছিল। লাকি হাতের কাজ করলেও সংসার ঠিকভাবে চলতো না। আমি বাজার করে দিলে তা দিয়েই চলতো। আমার মনে হয় অভাবের কারণে তিনি এ পথ বেছে নিয়েছেন।

এ বিষয়ে পুলিশ জানায়, একাকীত্ব ও অভাবের কারণেই লাকি বেগম তার মেয়েকে নিয়ে আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় রেলওয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধারসহ পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/