• বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভায় অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত ​ ​চাঁপাইনবাবগঞ্জে এম এম হক আইডিয়াল স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত ​ ষড়যন্ত্রমূলক অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সজীব আহমেদ রানার তীব্র প্রতিবাদ ঝালকাঠিতে ইবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষকদের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান ঝালকাঠিতে ইভটিজিং এর অভিযোগে গণধোলাইয়ের শিকার কথিত সাংবাদিক লাশা মিজান  একুশে টেলিভিশনের ২৭ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে ঝালকাঠিতে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন  পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৬ কর্মকর্তাকে বদলি প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ আজ ঝালকাঠি দেশবাংলা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে নববর্ষের রেলী কিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোসলে মারা গেছেন

ঝালকাঠিতে অটোরিকশা-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক নিহত

Reporter Name / ৫৩ Time View
Update : শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

 

মাসুম খান, ঝালকাঠি: বাংলায়  সুলতানি ও মোঘল আমলের প্রাচীন মুসলিম ঐতিহ্যের চিহ্ন নিয়ে আজও দাড়িয়ে আছে ঝালকাঠির ৪নং গালুয়া পাকা মসজিদ। এটি এখন কেবল প্রার্থনার স্থানই নয়, মুসলিম সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি ও ইতিহাস এবং গবেষনায় পর্যটনের স্থানেও পরিনত হয়েছে।

গ্রামের নিঝুম পরিবেশে কবে এই মসজিদটি নির্মাণ হয়েছিলো তা সঠিক করে কারো জানা নেই। তবে মসজিদের গায়ে সুলতানি ও মুঘোল আমলের মুললিম শৈলি দেখে সহজেই বোঝা এটি অনেক প্রাচীন। এলাকাবাসী জানান, বাংলা ১১২২ সালে স্থানীয় মাহমুদ খান আকন্দ (মামুজি) নামক এক ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি এটিকে প্রথম আবিস্কার করেন। এ সময় ঘন জঙ্গলের মধ্যে মসদিজটি আবৃত্ত ছিলো। জঙ্গল পরিস্কারের সময় বড় বড় সাপ দেখা যায়। সাপকে মসজিদ ছাড়তে বলে প্রথমে মসজিদের একটি পাশ খুলে দেয়া হয়। তখন সাপগুলো মসজিদ ছেড়ে স্বেচ্ছায় চলে যায়। সেই থেকেই মসজিদটিতে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় হয়ে আসছে আজও। অলৌকিক মসজিদটি অনেকের কাছে জীনের মসজিদ নামেও পরিচচিত।

বর্তমান ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলার গালুয়া ইউনিয়নের স্থানীয় বাজারের ভান্ডারিয়া-রাজাপুর মহাসড়ক থেকে এক কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এক গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদটিতে সুলতানি ও মুঘল স্থাপত্যের ছোঁয়া। মসজিদের দেয়ালে খোদাই করা নকশা ও কারুকার্য। পাকা ইট ও চুন-সুরকির মিশ্রণে তৈরি  এই স্থাপত্য শৈলি প্রাচীন মুসলিম সংস্কৃতি ও ইতিহাসের সাক্ষ্য বহন করছে। তাই ধর্মপ্রাণ মুসলমানের প্রার্থনার পাশাপাশি এটি এখন পর্যটন ও গবেষণায় বিশেষ স্থানে পরিনত হয়েছে। তবে সংস্কারের অভাবে অনেকটা জৌলুস হাতে বসেছেন প্রাচীন এই মসজিদটি।

মসজিদটির ইতিহাস-ঐতিহ্য এবং ধর্মীয় তাৎপর্য তুলে ধরে সরকারের কাছে সংস্কারের দাবী জানিয়েছেন মসজিদটির ইমামসহ স্থানীয়রা। ধর্মীয় ঐতিহাসিক নিদর্শন হিসেবে ১৯৯৯ সালে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর মসজিদটিকে সংরক্ষণের আওতায় নেয়।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/