• রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ঝালকাঠিতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় সাবেক পৌর কাউন্সিলর নিহত: আহত এক সেচ সংকট নিরসনে তৎপর এমপি বুলবুল পাউবো কর্মকর্তাদের নিয়ে সরজমিন পরিদর্শন ও তদারকি নির্দেশ রাঙামাটিতে অবসরপ্রাপ্তদের ঈদ পুনর্মিলনীতে স্মৃতিচারণ ও মিলনমেলা ঝালকাঠিতে বেড়াতে আসলেন বাকশিস সভাপতি অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া এমপি  টেকনাফে মুরগির ফার্ম থেকে ৫ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, মালিক পলাতক ঢাকা বিমানবন্দরে প্রায় ৫০০ গ্রাম (প্রায় ৪৩ ভরি) স্বর্ণালংকার ও বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রাসহ ১ জন আটক বাগেরহাটে ভুয়া বিল-ভাউচারে সরকারি টাকা উত্তোলন, কর্মকর্তা বললেন সমন্বয় করা হয়   ঝালকাঠির সাওরাকাঠি বালিকা বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা  ঝালকাঠির শশ্মানঘাটে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের জামায়াতের আর্থিক সহায়তা হাম মোকাবিলায় সরকার প্রস্তুত; আতঙ্ক নয় সচেতনতার আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

প্রশাসনের চোখে কালো চশমা! অবৈধ ট্রলিং বোর্ডে সাগর লুট—নিঃস্ব জেলে পরিবার, ধ্বংস হচ্ছে হাজার প্রজাতির ছোট ছোট মাছ ও মাছের রেনু

Reporter Name / ৮৯ Time View
Update : বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

 

 

বিশেষ প্রতিবেদন।।

কুয়াকাটা উপকূলে যেন চলছে নীরব সামুদ্রিক হত্যাযজ্ঞ। অবৈধ ট্রলিং বোর্ড দিয়ে সমুদ্রের তলদেশ চষে বেড়াচ্ছে একটি প্রভাবশালী চক্র।

 

এতে নির্বিচারে ধরা পড়ছে মাছের রেনু (পোনা), ডিম ও ছোট প্রজাতির মাছ। ফলাফল—প্রজনন চক্র ভেঙে পড়ছে, ধ্বংস হচ্ছে সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য, আর পথে বসছে হাজারো জেলে পরিবার।

 

স্থানীয় জেলেদের অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে গভীর সমুদ্রে এসব ট্রলিং বোর্ড পরিচালিত হয়। তারা দাবি করেন, অতীত সরকারের সময় কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও প্রভাবশালী ব্যক্তির যোগসাজশে এই অবৈধ কার্যক্রম বিস্তার লাভ করে, যা এখনো বন্ধ হয়নি।

 

যদিও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি, তবে এলাকায় ক্ষোভ তীব্র আকার ধারণ করেছে।

 

এক ক্ষতিগ্রস্ত জেলের কণ্ঠে আক্ষেপ—

আমরা বৈধ জাল নিয়ে সাগরে যাই, কিন্তু মাছ পাই না। ট্রলিং বোর্ড সব রেনু তুলে নিচ্ছে। প্রশাসন কি দেখছে না?

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, এভাবে চলতে থাকলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে উপকূলীয় অঞ্চলে মাছের উৎপাদন মারাত্মকভাবে কমে যাবে। এর প্রভাব পড়বে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, রপ্তানি আয় এবং উপকূলের অর্থনীতিতে।

 

হাজার প্রজাতির মাছের রেনু ধ্বংস

সামুদ্রিক পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট

ক্ষুদ্র জেলে পরিবার চরম দারিদ্র্যের মুখে

বাজারে মাছের সংকট ও মূল্য বৃদ্ধি

জেলেদের জোর দাবি: অবৈধ ট্রলিং বোর্ডের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান। সাগরে ২৪ ঘণ্টা নজরদারি ও কোস্টাল টহল জোরদার।

অতীতে জড়িতদের নিরপেক্ষ তদন্তের আওতায় আনা।

 

ক্ষতিগ্রস্ত জেলে পরিবারের জন্য জরুরি আর্থিক সহায়তা। উপকূলের মানুষের প্রশ্ন এখন একটাই—কতদিন চলবে এই সামুদ্রিক লুট? প্রশাসনের চোখে কি এখনও কালো চশমা?

 

হাজারো জেলে পরিবারের ভবিষ্যৎ আজ ঝুঁকির মুখে। এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে সমুদ্র হারাবে তার প্রাণ, আর জেলেরা হারাবে তাদের শেষ সম্বল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/