• সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৮:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বায়োমেডিক্যাল গবেষণার জন্য BPA (Best Professional Award) এবং Star Excellence Award 2026 অর্জন করলেন ন্যানো গবেষক ড. আহ্সানুল কায়সার গোপালগঞ্জে বৃক্ষমেলা-২০২৬ শুরু, পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের আহ্বান নাশকতার মামলায় জামিন পেলেন সাবেক বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর নড়াইলে শিশু বলাৎকারের অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার কিশোর-যুব স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে অবহিতকরণ সভা, বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনসচেতনতা তৈরির উদ্যোগ মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত: অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও অসুস্থদের পাশে জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাড. শাহাদাৎ হোসেন ডাকাতির ঘটনায় সম্পৃক্ততার সন্দেহে ঝালকাঠিতে যুবলীগ নেতা আটক ড্রেন পরিষ্কার ও জলাবদ্ধতা নিরসনে মাঠে প্রশাসক; প্রতিটি ওয়ার্ডে অভিযান জোরদারের নির্দেশনা নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলায় পুরুলিয়া ইউনিয়নের দেওয়াডাঙ্গা গ্রামে এক ব্যক্তির রহস্যজনক মৃত্যু  কলমের দাগ থেকে শিশু শিক্ষার্থীকে জুতা পেটা, পাইকগাছার স্কুলে তোলপাড়

প্রশাসনের চোখে কালো চশমা! অবৈধ ট্রলিং বোর্ডে সাগর লুট—নিঃস্ব জেলে পরিবার, ধ্বংস হচ্ছে হাজার প্রজাতির ছোট ছোট মাছ ও মাছের রেনু

Reporter Name / ২৬৬ Time View
Update : বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

 

 

বিশেষ প্রতিবেদন।।

কুয়াকাটা উপকূলে যেন চলছে নীরব সামুদ্রিক হত্যাযজ্ঞ। অবৈধ ট্রলিং বোর্ড দিয়ে সমুদ্রের তলদেশ চষে বেড়াচ্ছে একটি প্রভাবশালী চক্র।

 

এতে নির্বিচারে ধরা পড়ছে মাছের রেনু (পোনা), ডিম ও ছোট প্রজাতির মাছ। ফলাফল—প্রজনন চক্র ভেঙে পড়ছে, ধ্বংস হচ্ছে সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য, আর পথে বসছে হাজারো জেলে পরিবার।

 

স্থানীয় জেলেদের অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে গভীর সমুদ্রে এসব ট্রলিং বোর্ড পরিচালিত হয়। তারা দাবি করেন, অতীত সরকারের সময় কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও প্রভাবশালী ব্যক্তির যোগসাজশে এই অবৈধ কার্যক্রম বিস্তার লাভ করে, যা এখনো বন্ধ হয়নি।

 

যদিও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি, তবে এলাকায় ক্ষোভ তীব্র আকার ধারণ করেছে।

 

এক ক্ষতিগ্রস্ত জেলের কণ্ঠে আক্ষেপ—

আমরা বৈধ জাল নিয়ে সাগরে যাই, কিন্তু মাছ পাই না। ট্রলিং বোর্ড সব রেনু তুলে নিচ্ছে। প্রশাসন কি দেখছে না?

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, এভাবে চলতে থাকলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে উপকূলীয় অঞ্চলে মাছের উৎপাদন মারাত্মকভাবে কমে যাবে। এর প্রভাব পড়বে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, রপ্তানি আয় এবং উপকূলের অর্থনীতিতে।

 

হাজার প্রজাতির মাছের রেনু ধ্বংস

সামুদ্রিক পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট

ক্ষুদ্র জেলে পরিবার চরম দারিদ্র্যের মুখে

বাজারে মাছের সংকট ও মূল্য বৃদ্ধি

জেলেদের জোর দাবি: অবৈধ ট্রলিং বোর্ডের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান। সাগরে ২৪ ঘণ্টা নজরদারি ও কোস্টাল টহল জোরদার।

অতীতে জড়িতদের নিরপেক্ষ তদন্তের আওতায় আনা।

 

ক্ষতিগ্রস্ত জেলে পরিবারের জন্য জরুরি আর্থিক সহায়তা। উপকূলের মানুষের প্রশ্ন এখন একটাই—কতদিন চলবে এই সামুদ্রিক লুট? প্রশাসনের চোখে কি এখনও কালো চশমা?

 

হাজারো জেলে পরিবারের ভবিষ্যৎ আজ ঝুঁকির মুখে। এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে সমুদ্র হারাবে তার প্রাণ, আর জেলেরা হারাবে তাদের শেষ সম্বল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/