• বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ৪২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে চৌদ্দগ্রামে আলোচনা সভা বাড়ল ভোজ্যতেলের দাম দক্ষিণ বাংলার ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ উদ্বোধন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী  বিদ্যুতের ৪০ হাজার কোটি টাকা বকেয়া রেখে গেছে বিগত সরকার: অর্থমন্ত্রী সরকার কোস্ট গার্ডের আধুনিকায়নে উদ্যোগ নিয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঝালকাঠির রাজাপুরে অপরিকল্পিত খাল খননে সড়কে ধস চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা: জনগণের কাছে ক্ষমা চাইলেন মেয়র শাহাদাত ঝালকাঠিতে মালবাহী অবৈধ ট্রলির দৌরাত্ম্য দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে সরকারি খরচে ন্যায়বিচারের দুয়ার খুলছে: ঝালকাঠিতে আইনগত সহায়তা দিবস উদযাপন চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকবিরোধী সভা ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ​

প্রশাসনের চোখে কালো চশমা! অবৈধ ট্রলিং বোর্ডে সাগর লুট—নিঃস্ব জেলে পরিবার, ধ্বংস হচ্ছে হাজার প্রজাতির ছোট ছোট মাছ ও মাছের রেনু

Reporter Name / ১৩৪ Time View
Update : বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

 

 

বিশেষ প্রতিবেদন।।

কুয়াকাটা উপকূলে যেন চলছে নীরব সামুদ্রিক হত্যাযজ্ঞ। অবৈধ ট্রলিং বোর্ড দিয়ে সমুদ্রের তলদেশ চষে বেড়াচ্ছে একটি প্রভাবশালী চক্র।

 

এতে নির্বিচারে ধরা পড়ছে মাছের রেনু (পোনা), ডিম ও ছোট প্রজাতির মাছ। ফলাফল—প্রজনন চক্র ভেঙে পড়ছে, ধ্বংস হচ্ছে সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য, আর পথে বসছে হাজারো জেলে পরিবার।

 

স্থানীয় জেলেদের অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে গভীর সমুদ্রে এসব ট্রলিং বোর্ড পরিচালিত হয়। তারা দাবি করেন, অতীত সরকারের সময় কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও প্রভাবশালী ব্যক্তির যোগসাজশে এই অবৈধ কার্যক্রম বিস্তার লাভ করে, যা এখনো বন্ধ হয়নি।

 

যদিও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি, তবে এলাকায় ক্ষোভ তীব্র আকার ধারণ করেছে।

 

এক ক্ষতিগ্রস্ত জেলের কণ্ঠে আক্ষেপ—

আমরা বৈধ জাল নিয়ে সাগরে যাই, কিন্তু মাছ পাই না। ট্রলিং বোর্ড সব রেনু তুলে নিচ্ছে। প্রশাসন কি দেখছে না?

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, এভাবে চলতে থাকলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে উপকূলীয় অঞ্চলে মাছের উৎপাদন মারাত্মকভাবে কমে যাবে। এর প্রভাব পড়বে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, রপ্তানি আয় এবং উপকূলের অর্থনীতিতে।

 

হাজার প্রজাতির মাছের রেনু ধ্বংস

সামুদ্রিক পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট

ক্ষুদ্র জেলে পরিবার চরম দারিদ্র্যের মুখে

বাজারে মাছের সংকট ও মূল্য বৃদ্ধি

জেলেদের জোর দাবি: অবৈধ ট্রলিং বোর্ডের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান। সাগরে ২৪ ঘণ্টা নজরদারি ও কোস্টাল টহল জোরদার।

অতীতে জড়িতদের নিরপেক্ষ তদন্তের আওতায় আনা।

 

ক্ষতিগ্রস্ত জেলে পরিবারের জন্য জরুরি আর্থিক সহায়তা। উপকূলের মানুষের প্রশ্ন এখন একটাই—কতদিন চলবে এই সামুদ্রিক লুট? প্রশাসনের চোখে কি এখনও কালো চশমা?

 

হাজারো জেলে পরিবারের ভবিষ্যৎ আজ ঝুঁকির মুখে। এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে সমুদ্র হারাবে তার প্রাণ, আর জেলেরা হারাবে তাদের শেষ সম্বল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/