• সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ঝালকাঠিতে জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত ​নেত্রকোনায় ডিবি পরিচয়ে ডাকাতি: পরিকল্পনায় আপন ভাতিজা, আটক ৩ ঝালকাঠিতে এনসিপির পদযাত্রা; দুর্নীতি ও দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা হাসনাত আবদুল্লাহর জুলাই গণঅভ্যুত্থান: বীরত্ব ও আত্মত্যাগের স্মরণে ঝালকাঠিতে মা সমাবেশে এমপি ইলেন ভুট্টো: ‘যে মানুষ স্বপ্ন দেখতে জানে, সে স্বপ্ন বাস্তবায়নও করতে জানে’ সিংড়ায় কৃষিজমি কেটে অবৈধ পুকুর খনন, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আশুলিয়ায় নারী শ্রমিককে ধর্ষণচেষ্টা, জীবন বাঁচাতে চলন্ত বাস থেকে লাফ: চালক গ্রেপ্তার নেত্রকোনায় ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় নারীর ওপর হামলা, নিউজ প্রকাশের পর গ্রেপ্তার ১ সততা, নিষ্ঠা আর দায়িত্বশীলতার পুরষ্কার রুখে দেওয়া যায় না জনসেবার প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. মাইনুল ইসলাম আকন

প্রশাসনের চোখে কালো চশমা! অবৈধ ট্রলিং বোর্ডে সাগর লুট—নিঃস্ব জেলে পরিবার, ধ্বংস হচ্ছে হাজার প্রজাতির ছোট ছোট মাছ ও মাছের রেনু

Reporter Name / ২৫৬ Time View
Update : বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

 

 

বিশেষ প্রতিবেদন।।

কুয়াকাটা উপকূলে যেন চলছে নীরব সামুদ্রিক হত্যাযজ্ঞ। অবৈধ ট্রলিং বোর্ড দিয়ে সমুদ্রের তলদেশ চষে বেড়াচ্ছে একটি প্রভাবশালী চক্র।

 

এতে নির্বিচারে ধরা পড়ছে মাছের রেনু (পোনা), ডিম ও ছোট প্রজাতির মাছ। ফলাফল—প্রজনন চক্র ভেঙে পড়ছে, ধ্বংস হচ্ছে সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য, আর পথে বসছে হাজারো জেলে পরিবার।

 

স্থানীয় জেলেদের অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে গভীর সমুদ্রে এসব ট্রলিং বোর্ড পরিচালিত হয়। তারা দাবি করেন, অতীত সরকারের সময় কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও প্রভাবশালী ব্যক্তির যোগসাজশে এই অবৈধ কার্যক্রম বিস্তার লাভ করে, যা এখনো বন্ধ হয়নি।

 

যদিও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি, তবে এলাকায় ক্ষোভ তীব্র আকার ধারণ করেছে।

 

এক ক্ষতিগ্রস্ত জেলের কণ্ঠে আক্ষেপ—

আমরা বৈধ জাল নিয়ে সাগরে যাই, কিন্তু মাছ পাই না। ট্রলিং বোর্ড সব রেনু তুলে নিচ্ছে। প্রশাসন কি দেখছে না?

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, এভাবে চলতে থাকলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে উপকূলীয় অঞ্চলে মাছের উৎপাদন মারাত্মকভাবে কমে যাবে। এর প্রভাব পড়বে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, রপ্তানি আয় এবং উপকূলের অর্থনীতিতে।

 

হাজার প্রজাতির মাছের রেনু ধ্বংস

সামুদ্রিক পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট

ক্ষুদ্র জেলে পরিবার চরম দারিদ্র্যের মুখে

বাজারে মাছের সংকট ও মূল্য বৃদ্ধি

জেলেদের জোর দাবি: অবৈধ ট্রলিং বোর্ডের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান। সাগরে ২৪ ঘণ্টা নজরদারি ও কোস্টাল টহল জোরদার।

অতীতে জড়িতদের নিরপেক্ষ তদন্তের আওতায় আনা।

 

ক্ষতিগ্রস্ত জেলে পরিবারের জন্য জরুরি আর্থিক সহায়তা। উপকূলের মানুষের প্রশ্ন এখন একটাই—কতদিন চলবে এই সামুদ্রিক লুট? প্রশাসনের চোখে কি এখনও কালো চশমা?

 

হাজারো জেলে পরিবারের ভবিষ্যৎ আজ ঝুঁকির মুখে। এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে সমুদ্র হারাবে তার প্রাণ, আর জেলেরা হারাবে তাদের শেষ সম্বল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/