ঝালকাঠি সংবাদদাতা:
ঝালকাঠি ২ (ঝালকাঠি -নলছিটি) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আলহাজ্ব সৈয়দ রাজ্জাক আলী (রাজ্জাক সেলিম) এর নির্বাচন কর্মীদের উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। ৬ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজ্জাক সেলিমের ছোট ভাই ড. জহিরুল হক স্বপন মোটরসাইকেল প্রতীকের গণসংযোগ করার সময় বিএনপি প্রার্থী ইসরাত জাহান ইলেন ভুট্টোর সমর্থকরা আকর্ষিক হামলা চালায়। হামলায় ডঃ জহিরুল হক স্বপন (৫৫) ও তার ছেলে শ্রাবণ (২২) সহ কয়েকজন কর্মী সমর্থক আহত হয়েছে। আহতদের প্রথমে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে পরে বরিশালে নেয়া হয় । গুরুতর আহত রাজ্জাক সেলিমের ভাই ও ভাতিজা বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
এ হামলার ঘটনা পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে তদন্তের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন বলে জানা গেছে। এবিষয়ে ঝালকাঠি সদর থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে রাজ্জাক সেলিম সাংবাদিকদের জানান। তিনি প্রেসব্রিফিংয়ে বলেন, আমি শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছিলাম। সরকার ঘোষনা করেছে দেশে অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন হবে। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বজায় রাখার কথা থাকলেও বড় একটি দল পেশী শক্তি প্রদর্শন করছে। তারা দুর্বল প্রার্থীর উপর হামলা চালাচ্ছে। তিনি এই সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। তিনি আরো বলেন, রিটার্নিং অফিসার, পুলিশ সুপার ও নির্বাচন কমিশনে এই ঘটনার অভিযোগ দায়ের করবেন।
এ ব্যাপারে ঝালকাঠি সদর থানার ওসি মোঃ ইমতিয়াজ আহমেদ জানান, এ প্রতিবেদককে জানান, “এখন পর্যন্ত ওই ঘটনার লিখিত কোন অভিযোগ নাই। অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
এ বিষয়ে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের জেলা শাখার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হেদায়েতুল ইসলাম সোহেল জানান, রাজ্জাক সেলিমের আভ্যন্তরীণ নেতা কর্মীদের টাকা পয়সা ভাগবাটোয়ারা নিয়ে নিয়ে নিজেদের মধ্যে মারামারি হয়েছে। এঘটনায় প্রকৃত বিএনপির কোন নেতা কর্মী জড়িত ছিলেন না।
ঝালকাঠি সদর উপজেলার সাধারণ সম্পাদক মোঃ খোকন মল্লিক বলেন, বিএনপিকে দোষারোপ করার জন্য সাজানো নাটক। এই ঘটনায় বিএনপির কেউ জড়িত ছিলো না। বিএনপির বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। ###
https://slotbet.online/