• মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ০২:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ফায়ার সার্ভিস মহাপরিচালকের “দূর্নীতির ক্যাশিয়ার” রেজায়ে রাব্বি! ঝালকাঠিতে দুর্নীতির অভিযোগে কলেজ অধ্যক্ষের কক্ষে তালা, অপসারণ দাবিতে সংবাদ সম্মেলন দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন নবনিযুক্ত ডিএমপি কমিশনার জনাব মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ শাহ্ মাহমুদিয়া কলেজ অধ্যক্ষকে অপসারণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন  চট্টগ্রামে ট্রেনের ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে গেল অটোরিকশা, চালক আহত শাহ আলী মাজারে হামলার প্রতিবাদে আগামীকাল বাউল ও সঙ্গীতশিল্পীদের মানববন্ধন কাঠালিয়ায় শ্রমিক দলের উদ্যোগে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে লিফলেট বিতরণ ও আলোচনা সভা  চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবির অভিযান ১৪টি ভারতীয় গরু ও ৩৫ বোতল মদ জব্দ বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কাউন্সিলর হলেন জাতীয় ক্রিকেটার তৌহিদুল ইসলাম রাসেল বাংলাদেশ-ব্রুনাই সম্পর্ক সুদৃঢ়করণে ফলপ্রসূ আলোচনা: ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল করিমকে ব্রুনাইয়ের হাইকমিশনারের ধন্যবাদ বার্তা

ধানকাটা শেষে অলস মাঠে নলছিটিতে ঘোড়দৌড়ে আবহমান বাংলার রূপ 

Reporter Name / ৯৮ Time View
Update : শনিবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২৬

 

 

মেহেদী হাসান,ঝালকাঠি প্রতিনিধি:

পৌষের শেষে অলস মাঠে ধানকাটা শেষে ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে আবাহমান বাংলার ঘোড়দৌড়। বসে গ্রামীণ মেলা। শনিবার বিকেলে উপজেলার নাচনমহল ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের এই শীতের উৎসবে মেতে ওঠেন নারী-পুরুষ শিশু নির্বিশেষে সবাই।

আয়োজকরা জানান ,গ্রামীন সংস্কৃতি ধরে রাখতে ও নতুন প্রজন্মকে বাঙালির ঐতিহ্যর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতেই নেয়া হয়েছে এ উদ্যোগ।

স্থানীয় সাংবাদিক ও সমাজকর্মী ইব্রাহিম খান শাকিল বলেন, এক সময় শীতকালে ধান ঘরে তোলার পর গ্রাম বাংলার মাঠেমাঠে ঘোড়ার টগবগ শব্দ শোনা যেত। ঢাকের তালে দর্শকদের উল্লাস দেখা যেত। আসলে ধানকাটা শেষে ধুধু মাঠে মেলার আয়োজন করা হত। আর তার বিশেষ আকর্ষণ ছিলো ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা। তবে এটি এখন হারাতে বসেছে। দীর্ঘদিন পরে গোবিন্দপুর গ্রামে যেন সেই বাংলার রূপ, রস আর গন্ধই খুঁজে পেলাম, বলেন ইব্রাহিম খান শাকিল।

গ্রামীণ ঐতিহ্য আর বিনোদনের টানে দুপুর গড়াতেই মাঠ জুড়ে[ নামে হাজারো দর্শনার্থীর ভীর। শনিবার ছুটির দিন হওয়ায় ঘোড় দৌড় প্রতিযোগিতা উপভোগ করতে উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে হাজারো নারী, পুরুষ শিশু কিশোর যোগ দেয়। ঘোড় দৌড়কে কেন্দ্র করে এখানে বসে মেলা। মিঠাই মন্ঠাসহ টুকিটাকি গ্রামীণ অনুসঙ্গ নিয়ে বসে এ মেলা বসেছিলো। ব্যপক পরিমানে বিক্রি হয়ে মুড়ি, মোয়া ও জিলাপি। আর নাগর দোলায় দোল খেতে খেতে শিশুদের আনন্দ যেন আর ধরেই না।

সন্ধ্যায় মেলা ঘোড়দৌড়ে অংশনেয়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে মেলা ভাঙে। তবে দর্শনার্থীরা প্রতি বছরই এ প্রচলন ধরে রাখেতে আয়োজকদের প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ জানায়।

#

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/