• শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০৫:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ঝালকাঠিতে বেগম হালিমা সাইজ উদ্দিন ফাউন্ডেশন ও পাঠাগারের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত  ‍চাঁপাইনবাবগঞ্জে আইডিয়াল ক্রিকেট গার্ডের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে ঘুষ-দুর্নীতি ও হয়রানি বন্ধের নির্দেশ—-এমপি নূরুল ইসলাম বুলবুল  চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক ব্যবসা বন্ধের দাবিতে বারোঘরিয়া গ্রামবাসীর মানববন্ধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিএনসির উদ্যোগে জনসাধারণের মাঝে মাদকবিরোধী লিফলেট বিতরণ আসাদিয়া চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত দেশবাংলা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক মাসিক সভা  ঝালকাঠির পূর্ব চাঁদকাঠিতে কেবি ট্রেডার্সের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত  রাজাপুরে বসতঘরে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ, আহত ২ বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

ঝালকাঠিতে নারী শ্রমিককে ধর্ষণের অভিযোগে কারখানা মালিকের বিরুদ্ধে মামলা 

Reporter Name / ৮৯ Time View
Update : সোমবার, ৫ জানুয়ারী, ২০২৬

 

ঝালকাঠি প্রতিবেদক:

 

ঝালকাঠিতে এক নারী শ্রমিককে ধর্ষণ, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং গর্ভবতী করার অভিযোগে কারখানা মালিক ও তার সহযোগীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি এফআইআর হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

 

সোমবার (৫ জানুয়ারি) দুপুরে ঝালকাঠি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শরীফ মোহাম্মদ সানাউল্লাহ অভিযোগটি আমলে নিয়ে ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে এফআইআর হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন।

 

 

মামলার বাদী ঝালকাঠি শহরের পূর্ব কাঠপট্টি এলাকার আদি সাবিহা কেমিক্যাল ওয়ার্কস (শাহী ৯৯ জর্দা) কারখানার একজন নারী শ্রমিক। মামলায় ১ নম্বর আসামি করা হয়েছে ঝালকাঠি পৌর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও ওই কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামসুল হক মনু মিয়াকে এবং ২ নম্বর আসামি করা হয়েছে কারখানার শ্রমিক ফরিদ হোসেনকে।

 

 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ফরিদ হোসেন চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে রুবিনা বেগমকে কারখানার মালিক মনু মিয়ার কাছে নিয়ে যান। মনু মিয়া নানা প্রলবণ দেখিয়ে বিভিন্ন সময় ওই নারী শ্রমিকের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্কে বাধ্য করেন। এরপর চাকরির সুবাদে একাধিকবার তাকে ধর্ষণ করা হয়।

 

 

মামলার বর্ণনায় আরও বলা হয়, ২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর ২ নম্বর আসামি ফরিদ হোসেনও তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এতে রুবিনা বেগম গর্ভবতী হয়ে পড়লে বিষয়টি গোপন রাখতে এবং গর্ভের সন্তানের বৈধতা দিতে শামসুল হক মনু উদ্যোগে ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদ হোসেনের সঙ্গে কাবিন রেজিস্ট্রি করানো হয়। পরে ১৫ জুলাই একটি কন্যা সন্তান জন্ম নিলে একই বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর ফরিদ হোসেন তাকে তালাক দেন।

 

 

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, ঘটনার বিষয়টি প্রকাশ করতে চাইলে আসামিরা ভুক্তভোগীকে ভয়ভীতি প্রদর্শন, মারধর ও হুমকি দেন এবং একপর্যায়ে তাকে কারখানা থেকে বের করে দেওয়া হয়। পরে অসুস্থ হয়ে পড়লে সাক্ষীদের সঙ্গে পরামর্শ করে ২ ডিসেম্বর থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেয়। এরপর ন্যায়বিচারের আশায় তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন।

 

 

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলায় একাধিক সাক্ষীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অভিযোগের বিষয়ে আইনানুগ তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

 

এ বিষয়ে বাদীপক্ষের আইনজীবী পার্থসারথি রায় মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ভুক্তভোগী নারী যেন ন্যায়বিচার পান, সে লক্ষ্যেই আমরা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি।

 

 

অভিযুক্ত শামসুল হক মনু মিয়ার বক্তব্য জানার জন্য তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

 

 

এ বিষয়ে ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমতিয়াজ আহমেদ জানান, আদালতের নির্দেশনা এখনো থানায় এসে পৌঁছায়নি। হাতে পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/