স্টাফ রিপোর্টার : কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার কুন্দার ঘোড়া গ্রামেই ফারহানা আক্তারের জন্ম। শৈশবকাল তার গ্রামেই কাটে।তার পিতা মো: আবুল কালাম ও মাতা মোসা: নাছিমা আক্তার। তিনি ছোটবেলা থেকেই অসম্ভব প্রতিভাবান ও মেধাবী ছিল।
মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে তার ফলাফল ছিল সন্তোষজনক। পরবর্তীতে তিনি
কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজে
বাংলা নিয়ে অনার্স করে এবং
প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষের প্রথম
বিভাগ অর্জন করে। তিনি তার
মেধা ও প্রতিভার কারণে স্কুল ও
কলেজ জীবনে অনেক পুরস্কার
লাভ করে।বর্তমানে তিনি অনার্স তৃতীয় বর্ষে অধ্যয়ন করছেন।পড়াশোনা ছাড়াও তার নানা
প্রতিভা রয়েছে। তিনি ছবি আঁকার জন্য জেলা পর্যায়ে
প্রথম হয়েছে এবং জাতীয় পর্যায়ে নির্বাচন হয়েছেন।যার
ফলে আগামী মার্চে তার নামে
একটি বই প্রকাশিত হবে।এছাড়া
সুন্দর হাতের লেখার জন্য তিনি
জেলা পর্যায়ে একাধিক পুরস্কার
এ ভূষিত হন।তিনি ২০২৪ সালে জেলাভিত্তিক আয়োজিত হাতের
লেখা প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়।
তার তিনি জেনারেল সায়েন্স অলিম্পিয়াড থেকে বিজ্ঞানে জাতীয় পর্যায়ে প্রথম হয়েছে। এবং আন্তর্জাতিক ইভেন্টে লন্ডন
এ নিজের দেশকে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়েছে। তিনি আবারও বুনিয়াদ সংস্থা থেকে
জেনারেল নলেজ অলিম্পিয়াড
২০২৫ এ হাজারও প্রতিযোগীকে
হারিয়ে সেরা ৫ এ জায়গা করে নিছে।পরপর তিনি খন্দকার আসিফুর রহমান এর আয়োজিত তিনটি অনুষ্ঠানেই
তিনি এওয়্যার্ড প্রাপ্তি হন।তিনি
স্টার এচিভার এওয়্যার্ড ২০২৫,
বিপিএ এওয়্যার্ড ২০২৫,ভিক্টোরি
এওয়্যার্ড ২০২৫ অর্জন করেন।
এতক্ষণ আমরা যার প্রতিভার
কথা শুনলাম সে শুধু একজন মেয়ে নয় সে কারোর ঘরের বউ,
কারোর সন্তানের মা,কারোর গৃহ শিক্ষিকা।তার উচ্চমাধ্যমিকে
থাকাকালীন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।তার স্বামী মো: শাহাদাত হোসেন, তিনি একজন
ব্যাংকার।তিনি বর্তমানে তার শ্বশুড়বাড়ি ফুলতলী থেকে পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছে। তার
পরিবারের সাপোর্টে আজ তিনি
সফলতার দিকে এগিয়ে চলছে।
তিনি তার এই ক্ষুদ্র জীবনে অনেক খ্যাতি ও সন্মাননা অর্জন
করে।তার এই খ্যাতির পিছনে রয়েছে – অধ্যবসায়,ইচ্ছাশক্তি,
অদম্য সাহস ও প্রতিভা।তাকে
দেখে সকলের শিখা উচিত এবং
তাকে অনুকরণ করার দরকার।
যাতে সমাজের প্রতিভাবান মেয়েরা ফারহানা আক্তারের
মত তার প্রতিভাকে কাজে লাগায়।তিনি সমাজের আইডল।
তাঁর মত মেয়ে সমাজ ও দেশকে
আলোকিত করবে।বর্তমান সমাজে এমন মেয়ে খুব কমই
দেখা যায়।
তাঁর স্বপ্ন সে একজন বিসিএস ক্যাডার হবে।এবং তার প্রতিভা
ও মেধাকে কাজে লাগিয়ে জ্ঞান
ভিওিক চর্চায় নিজেকে বিকাশি
ত করে পরিবার,সমাজ ও দেশ
কে ভালো কিছু উপহার দিবে।
এই প্রত্যাশায় রইলো।
https://slotbet.online/