নিজস্ব প্রতিনিধি:
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এলজিইডির একটি প্রকল্প আর ইউ টি ডি পি(RUTDP)। বৃহৎ এই প্রকল্পে বিতর্কের শেষ নেই। একের পর এক অঘটন ঘটেই চলেছে। এমন একটি ঘটনা এই প্রকল্পের ডি এম এস কনসালটেন্ট নূরুল আমিন তালুকদারকে নিয়ে।
প্রায় সাড়ে ছয় হাজার কোটি টাকার এই প্রকল্পে জিওবি, আউটসোর্সিং, মাস্টার রোল, ইন্ডিভিজুয়াল কনসালটেন্ট ও কনসালটেন্ট ফার্মের মাধ্যমে নিয়োগ দেয়া হয়েছে শত শত জনবল। নূরুল আমিন হাওলাদারের নারী লোভী মনোভাব বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। চট্টগ্রাম – নোয়াখালী – ফেনী- কুমিল্লা – নারায়নগঞ্জ – ঢাকা- মুন্সীগঞ্জ – গোপালগঞ্জ – খুলনা- যশোর- বগুড়া- দিনাজপুর – রংপুর- রাজশাহী মহাসড়ক ঘেঁষে ৮১ টি পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন নিয়ে এই প্রকল্প।এই প্রকল্পের একটি বিশেষ কর্মসূচী ক্লাস্টার ডেভলপমেন্ট পরিকল্পনা।এর আওতায় প্রতিটি পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশনে ক্লাস্টার ডেভলপমেন্ট কর্মশালা আয়োজন করা হবে। প্রকল্প সূত্রে জানা যায় প্রতিটি পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশনে এই কর্মসূচি পালনের জন্য যাতায়াত,অনারিয়াম,খানা,নাস্তা বাবদ প্রায় দেড় লাখ টাকা হারে ধরা আছে।
এই কর্মসূচির টিম লিডার ডি এস এম কনসালটেন্ট। সূত্র জানায় নূরুল আমিন তালুকদারকে এই পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। প্রায় আড়াই লাখ টাকা বেতনের এই পদে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। জানা যায় সাবেক পিডি সাত লাখ টাকা ঘুষ নিয়ে নূরুল আমিন তালুকদারকে এই পদে নিয়োগ দেন।
সূত্র আরো জানায় প্রতিটি কর্মসূচি শুরু হবে সকাল ৯ টা ও শেষ হবে বিকেল ৫ টা। বর্তমান অবদি ৮১ পৌরসভা ও ৬ সিটি কর্পোরেশনের মধ্যে ঘোড়াঘাট, গোবিন্দগঞ্জ, শিবগঞ্জ,কাহালু,বগুড়া, শেরপুর সহ প্রায় বিশটি পৌরসভায় ক্লাস্টার ডেভলপমেন্ট কর্মশালা পালন করা হয়েছে। প্রতিটি কর্মশালায় টিম লিডার নূরুল আমিন তালুকদার। সূত্র আরো জানায় পৌরসভায় কর্মশালায় তার সঙ্গী নেন সুন্দরী নারীদের। বেশিরভাগ কর্মশালায় নূরুল আমিন হাওলাদারের সফর সঙ্গী থাকেন সুন্দরী নারী আরবান প্ল্যানার জোবায়দা পারভীন, আর্কিটেক্ট আজমিরা ও ফারহানা ইসলাম, জেন্ডার স্পেশালিস্ট সাজেদা বেগম ও আরো কয়েকজন মহিলা।
এই কর্মশালা সকাল ৯ টা থেকে বিকেল ৫ টি পর্যন্ত হওয়ার কথা থাকলেও কর্মসূচি হয় সকাল ১০ টা থেকে ২ টা পর্যন্ত। আবার কর্মশালার সকল ব্যয় প্রকল্পের হলেও একটাকাও প্রকল্প থেকে দেওয়া হয়নি। সূত্র জানায় কর্মশালার পূর্বে নূরুল আমিন তালুকদার ফোনে ওই পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী বি সহকারী প্রকৌশলীকে নির্দেশ দেন কর্মশালার সকল আয়োজন সম্পন্ন করতে। এদিকে কর্মশালার সকল ব্যয়ের অর্থ উঠিয়ে পিডির সাথে ভাগাভাগি করেন।
একটি সূত্র জানায় নূরুল আমিন তালুকদার অফিসে বেশিরভাগ সময় কোনো না কোনো নারী নিয়ে কখনো একাধিক নারী নিয়ে খোশ গল্পে মশগুল থাকেন। অনেক সময় আপত্তিকর অবস্থায় দেখা যায়। উক্ত নূরুল আমিন তালুকদারের স্ত্রী সন্তানরা আমেরিকায় সেটেল। ঢাকায়ও রয়েছে নিজস্ব বাড়ি। অফিস সূত্রে জানা যায় নূরুল আমিন প্রায় প্রতি মাসে অফিসের সুন্দরী মহিলা কলিগদের তার বাসায় দাওয়াত দেন সেখানে দিনভর খানা- পিনা,হাসি- তামাশা,খোশ গল্প,ঢলাঢলিতে মশগুল থাকেন। অফিসে নূরুল আমিন হাওলাদারের এহেন বেলাল্লাপনার কারনে নিরিহ অন্যান্য নারী কর্মকর্তা কর্মচারীরা তটস্থ থাকেন।
https://slotbet.online/