• বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ০৫:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বাংলায় লোক সংস্কৃতি চর্চায় জহিরগীতি’র অবিচ্ছিন্ন অংশ বাউল ছালমা  পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর সিনার উদ্যোগে গণমাধ্যমকর্মীর সম্মানে ইফতার মাহফিল  কুয়াকাটা পৌরসভায় মশক নিধন কার্যক্রম শুরু শিবগঞ্জ সীমান্তে ৫৯ বিজিবি’র পৃথক দুই অভিযানে ভারতীয় মাদকসহ আটক ১ ঝালকাঠি বাকশিস (সেলিম ভূঁইয়া)’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত  সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি’র চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাখায় দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত মালদ্বীপে এসএসপি’র উদ্যোগে প্রবাসী সাংবাদিকদের সম্মানে ইফতার মাহফিল চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‍্যাব-৫ অভিযানে মাদকসহ আটক ৩ হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এভসেকের সফল অভিযান: সৌদি আরবগামী যাত্রীর লাগেজ থেকে ৪,৩৬৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার ব্রহ্মপুত্রে নাব্যতা সংকট: ফেরি চলাচলে চিলমারী-রৌমারী রুটে ভোগান্তি

গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করে অধ্যক্ষ লাঞ্ছনার নাটক মঞ্চস্থ করার অভিযোগ 

Reporter Name / ১২১ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৫

 

নিজস্ব প্রতিনিধি:

ঝালকাঠি সদর উপজেলার ১নং গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের রমজানকাঠি কারিগরি ও কৃষি কলেজের গুপ্ত ব্যবস্থাপনা কমিটির বৈধতা দিতে একটি কুচক্রী মহল রাজনৈতিক প্রতিহিংসারবশবর্তী হয়ে রাজনীতিবিদ বিএনপির দুর্দিনের কাণ্ডারি অধ্যাপক রিয়াছুল আমিন (জামাল) সিকদারের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। অধ্যাপক রিয়াছুল আমীন (জামাল) সিকদার ১নং গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে দীর্ঘদিন যাবত সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি বিএনপির দুর্দিনে গাভা রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নে পতিত স্বৈরশাসকের জুলুম নির্যাতনের শিকার হওয়া সত্ত্বেও বটবৃক্ষের মতো দলীয় নেতাকর্মীদের ছায়া দিয়ে রেখেছিলেন। সেই দুর্দিনে যাদেরকে আন্দোলন সংগ্রামে মাঠে ময়দানে পাওয়া যায় নাই বরং পতিত স্বৈরশাসক ফ্যাসিবাদী আওয়ামীলীগের সাথে হাত মিলিয়ে গা বাঁচিয়ে চলছিলেন তারা দলীয় পদপদবি হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন এবং ত্যাগী নেতা রিয়াজুল আমীন (জামাল) সিকদারের বিরুদ্ধে নানা রকম ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে অধ্যক্ষ লাঞ্ছনার নাটক মঞ্চস্থ করে রাজনৈতিক ফায়দা লোটার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় গত ১২ অক্টোবর রমজানকাঠি এলাকাবাসীর আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে কলেজ হলরুমে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সকলের শ্রদ্ধার পাত্র জামাল সিকদার সাহেব। তিনি দায়িত্বশীল জায়গায় থেকে ন্যায় ও যুক্তিসঙ্গত কথা বলেন। রমজানকাঠি কলেজের জমি দাতা ও কলেজের প্রতিষ্ঠাতা মোঃ সুলতান হোসেন ও তার পরিবারের লোকজন ও এলাকাবাসী, শিক্ষক কর্মচারীদের সহায়তায় কলেজ টির অস্তিত্ব এখনও বিরাজ করছে। সেখানে প্রতিষ্ঠাতাকে কোন কিছু না জানিয়ে অন্য ইউনিয়ন থেকে ভাড়াটিয়া লোক এনে অধ্যক্ষ পীযূষ কান্তি মন্ডল ও শিক্ষা উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের নামে তথাকথিত ফাউন্ডেশনের সভাপতি কুদ্দুস খান গোপন বৈঠক করে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে কমিটি জমা দিয়ে তদবির করে দ্রুত পাস করানোর চেষ্টা করেন, যা বিধিবহির্ভূত। তিনি এধরনের কর্মকান্ডের সমালোচনা করে কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সুলতান হোসেন তালুকদার এর দিকনির্দেশনায় কলেজ পরিচালনা পরামর্শ প্রদান করেন। তিনি কলেজ অধ্যক্ষ পীযূষ কান্তি মন্ডল এর সাথে কোন‌ তর্ক বিতর্কে জড়ান নাই, তার প্রমাণ উপস্থিত রমজানকাঠি এলাকাবাসীসহ কলেজের শিক্ষক -কর্মচারীগণ। জামাল সিকদারের রজনৈতিক পরাজিত প্রতিপক্ষ এ ঘটনাকে পুঁজি করে অধ্যক্ষকে লাঞ্ছনার নাটক মঞ্চস্থ করে ফায়দা হাসিলের অপচেষ্টা চালাচ্ছে এবং সামাজিক যোগাযোগ ফেসবুকে প্রচার প্রচারণায় লিপ্ত আছে।

এ ব্যাপারে অধ্যক্ষ পীযূষ কান্তি মন্ডল বলেন, রিয়াছুল আমীন (জামাল) সিকদার অত্যন্ত ভদ্র লোক। তিনি আমার সাথে কোন খারাপ আচরণ করেন নাই। কিছু ছেলে পেলে যাদের কে আমি চিনি না তারা হৈচৈ করেছে। আমাকে বিশেষ কারনে থানায় জিডি করতে হয়েছে। সব কথা বলা যাবে না।

 

কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও জমিদাতা শিক্ষাবোর্ডের সাবেক কর্মকর্তা মোঃ সুলতান হোসেন তালুকদার বলেন, জনাব রিয়াছুল আমিন (জামাল) সিকদার এলাকাবাসী এবং আমাদের দাওয়াতে এই ইউনিয়নের অভিভাবক হিসেবে কলেজের প্রতিবাদ সমাবেশে এসেছিলেন। তিনি এলাকাবাসীর সকল কথা শুনে সভায় তার জ্ঞানময় বিবেচনাসুলভ মন্তব্য করেছেন। তিনি অধ্যক্ষ সাহেবের সাথে শান্ত সুলভ আচরণ করেছেন। যে বা যারাই অধ্যক্ষ লাঞ্ছনার অভিযোগ করেছেন উহা সম্পুর্ন মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। আমি এধরনের অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

রমজানকাঠি কারিগরি ও কৃষি কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল আজিজ তালুকদার বলেন, কতিপয় অসাধু লোক জনাব জামাল সিকদারের নামে মিথ্যা প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছে। ঘটনাস্থলে আমি উপস্থিত ছিলাম। অধ্যক্ষকে লাঞ্ছনার অভিযোগ সঠিক নয়। এটি একটি অপপ্রচার মাত্র।

সভায় উপস্থিত কলেজ ব্যবস্থাপনা কমিটির জেলা প্রশাসক মনোনীত শিক্ষানুরাগী সদস্য ও সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা আঃ মতিন খান বলেন, আমি ঘটনার দিন শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত উপস্থিত ছিলাম। অধ্যক্ষকে লাঞ্ছনার অভিযোগ সম্পুর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট। জামাল সিকদার সাহেব কারো সাথে কোন খারাপ আচরণ করেন নাই। এগুলো রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য অপপ্রচার মাত্র ।জামাল সিকদার সাহেব সেদিন দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছেন।

এলাকাবাসী ও সচেতন মহল এক প্রতিক্রিয়ায় জানায়, রিয়াছুল আমীন ()জামাল) সিকদারের বিরুদ্ধে নানা মিথ্যা অপপ্রচার ও অধ্যক্ষকে লাঞ্ছনার অসত্য অভিযোগ প্রচার প্রচারণার নিন্দা জানান এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। এবং রমজানকাঠি কারিগরি ও কৃষি কলেজের ফাউন্ডেশন বাতিল করে প্রশাসনের অধীনে ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনের দাবি করেন তারা।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/