• শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০৫:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ঝালকাঠিতে বেগম হালিমা সাইজ উদ্দিন ফাউন্ডেশন ও পাঠাগারের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত  ‍চাঁপাইনবাবগঞ্জে আইডিয়াল ক্রিকেট গার্ডের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে ঘুষ-দুর্নীতি ও হয়রানি বন্ধের নির্দেশ—-এমপি নূরুল ইসলাম বুলবুল  চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক ব্যবসা বন্ধের দাবিতে বারোঘরিয়া গ্রামবাসীর মানববন্ধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিএনসির উদ্যোগে জনসাধারণের মাঝে মাদকবিরোধী লিফলেট বিতরণ আসাদিয়া চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত দেশবাংলা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক মাসিক সভা  ঝালকাঠির পূর্ব চাঁদকাঠিতে কেবি ট্রেডার্সের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত  রাজাপুরে বসতঘরে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ, আহত ২ বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

ঝালকাঠিতে বিশ্ব দুগ্ধ দিবস ফাইলবন্ধী, বরাদ্ধের অর্থ প্রানীসম্পদ কর্মকর্তার পকেটে।

Reporter Name / ১২৮ Time View
Update : বুধবার, ৪ জুন, ২০২৫

 

রিয়াজুল ইসলাম বাচ্চু:

এই দেশে দুধের চেয়ে ঘোল বেশি বিক্রি হয় আর সেই ঘোল মিশে গেছে এখন দায়িত্ব আর দুর্নীতির মিশেলে।

 

অনুসন্ধানে আজ আমরা ঝালকাঠি জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার দপ্তরে সেই ঘোলাটে চিত্র তুলে ধরছি। যেখানে বিশ্ব দুগ্ধ দিবসে শিশুদের মুখে দুধ উঠেনি, হয়নি র‍্যালিসহ কোনো অনুষ্ঠান। ঘটেছে অনিয়ম দুর্নীতি এবং অর্থ লোপাট।

 

বিশ্ব দুগ্ধ দিবসে যখন দেশের অন্য প্রান্তে শিশুদের হাতে দুধ পৌঁছায়, তখন ঝালকাঠিতে সেই দুধ পৌঁছায়নি কারও কাছেই। তবে কোটি টাকার প্রশ্ন এই বরাদ্দের অর্থ গেল কোথায়? এর জবাব কে দেবে?

 

জেলা প্রানীসম্পদ কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামানের সাথে তার নানা অনিয়মের বিষয়ে আলাপকালে তিনি বিশ্ব দুগ্ধদিবস পালন না করার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি যে কারন দেখিয়েছে তা সবই ছিলো অযৌক্তিক। তিনি বলেন, ‘বেশ ক’দিন ধরে বৃষ্টি, সামনে ঈদ এবং র‍্যালির টি-শার্ট তৈরি হয়নি এখনো। তাই দিবস পালন করা হয়নি।’

 

প্রানীসম্পদ কর্মকর্তা এই তিন কারন উল্লেখ করে আরো বলেন, ‘ডেইরী উন্নয়ন প্রকল্প থেকে দেয়া বরাদ্ধের ২ লাখ আট হাজার টাকা আমার কাছে গচ্ছিত আছে। আগামীতে ঐ টাকা দিয়ে বিশ্ব দুগ্ধ দিবসের কর্মসূচী পালন করবো।’

 

সরেজমিনে গিয়ে যা পাওয়া গেছে তা হলো, প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয় যেন দুর্নীতির দুর্গে পরিণত হয়েছে। সরকারি অনুদান, খামার উন্নয়ন প্রকল্প কিংবা ভেটেরিনারি সেবার প্রতিশ্রুতি সবখানেই লেগে আছে দুর্নীতির ছাপ। সাধারণ খামারিরা একের পর এক অভিযোগ করছেন ঘুষ, হয়রানি এবং পক্ষপাতমূলক সেবা পাওয়ার কথা।

 

খামারীরা বলছেন, ‘সরকারের এই দপ্তর যদি ঘুষ-দুর্নীতির আখড়া হয়ে ওঠে, তবে ক্ষতির মুখে পড়বে এ জেলার প্রাণিসম্পদ খাত ও গ্রামীণ অর্থনীতি। এখন সময় এসেছে এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার।’

##

রিয়াজুল ইসলাম বাচ্চু

ঝালকাঠি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/