মাদারীপুুুর প্রতিনিধি :
মাদারীপুর সদর উপজেলার ঝাউদী ইউনিয়নের বাসিন্দা সিনিয়র সাংবাদিক মাসুদ হোসেন খান এর বাড়িতে অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক। এই বিষয়ে সদর মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি সাংবাদিকদের বলেন – একই এলাকার বাসিন্দা মৃত বাবন খার ছেলে জাভেদ খাঁ তার ছেলে সুজন খাঁ কারণ অকারণে আমি ও আমার পরিবারের সদস্যদের সাথে কারণে-অকারণে অগড়া-কলহের পায়তারা করিয়া আসছে। বিভিন্ন সময়ে আমার নিকটে নগদ চাঁদা দাবি করিয়া আমাকে হয়রানি করিয়া আসছে। উক্ত বিষয়ে একাধিকবার স্থানীয় সালিশের মাধ্যমে আপোষ-মিমাংসার চেষ্টা করিলে স্থানীয় অপশক্তি ব্যবহার করিয়া তাহ্য অমাণ্য করে। এতে তারা আরো ক্ষিপ্ত হইয়া আমাকে ও আমার পরিবারের সদস্যদের বড় ধরনের ক্ষতিসাধন করিবে বলিয়া হুমকি-ধামকি প্রদান করে। পূর্ব পরিকল্পিতভাবে আমার সাথে শত্রুতা করিয়া গত ০৯/০৩/২০২৬ ইং তারিখে রাত্র অনুমান ০৯:২০ ঘটিকার সময়ে আমার বসত বাড়িতে আগুন লাগিয়ে অনুমান ৩,২০,০০০ (তিন লক্ষ বিশ হাজার) টাকার ক্ষতিসাধন করে। ইহার ধারাবাহিকাতায়, অদ্য ১১/০৩/২০২৬ ইং তারিখে দুপুর অনুমান ০১:১০ ঘটিকার সময়ে আমি জাভেদ খা ও সুজন খাঁকে আমার বসত ঘরে আগুন দেওয়ার কারণ জিজ্ঞাসা করিলে জাভেদ খার হুকুমে আমার উপরে ক্ষিপ্ত হইয়া যায় এবং আমার নাম ধরিয়া অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। অতপর সুজন খাঁ, ইমরান খান, রোমান খান, নাছিমা বেগম, মুনি বেগম সহ আরে অজ্ঞাত ১০/১২ জন সন্ত্রাসী দেখলে চিনি,
পূর্ব পরিকল্পিতভাবে অপশক্তি বলে মব সন্ত্রাস সৃস্টি করে রামদা, ছ্যানদা, ধারালো দা, ধারালো বঠি ট্যাঁটা সহ বিভিন্ন অস্ত্রে-সস্ত্রে সজ্জিত হইয়া সংঘবদ্ধভাবে একযোগে উস্থিতিত হয়ে আমার বসত ঘরের উঠানের জমিতে আসিয়া আমার ও আমার পরিবারের সদস্যের নাম ধরিয়া জাতে-বেজাতে গালাগালী করে। আমি ঘর হইতে বাহির হইয়া গালাগালীর কারণ জিজ্ঞেস করিলে আমাকে দেখা মাত্র জাভেদ খাঁরর হুকুমে বলে আমাকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে দেশীয় তৈরী বিভিন্ন ধারালো ছ্যানদা দিয়ে আমার মাথায় সজোরে কোপ মারিলে আমি বিবাদীর দেওয়া কোপ হইতে বাচতে হাত দিয়ে ফিরানো চেষ্টা করিলে বিবাদীর দেওয়া কোপে আমার ডান হাতের কব্জিতে গুরুতর রককাটা রক্তাক্ত জখমের সৃষ্টি হয়, আমাকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে আমার মাথার পিছনের ভাগে গুরুতর হাড়ভাঙ্গা নীলাফোলা রক্তজমাট জখমের সৃষ্টি করে। আমার কেমড়প ও দুই পায়ের নলায় এলোপাথারীভাবে পিটিয়ে আমার কোমড়ে ও পায়ের নলার বিভিন্ন স্থানে গুরুতর মারাত্মক নীলাফোলা রক্তজমাট জখমের সৃষ্টি করে।আমার গালায় গামছা পেচিয়ে আমাকে শ্বাসরোধ করিয়া হত্যার চেষ্টা করে। উল্লেখ্য, আমার মেয়ে ইসমিতা খান মমি আমাকে বাচাইতে আগাইয়া আসিলে আমার মেয়ের চুলের মুঠি ও কাপড়-চোপড় ধরিয়া টানা-হেচড়া করিয়া মাথায় যন্ত্রনাদায়ক জখমের সৃষ্টি করে। উক্ত সময়ে আমার মেয়ের গলায় থাকা ০১ (এক) ভরি ০৩ (তিন) আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয়,আমাদের ডাক চিৎকারে আশেপাশের লোকজন আগাইয়া আসিলে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে পালিয়ে যায়।
আমি এই ঘটনার বিরুদ্ধে আইনের আশ্রয় নিবো জানালে সন্ত্রাসীরা আমাকে বিভিন্ন ভয় ও প্রাননাশের হুমকি দিয়া আসছে।
উল্লেখ্য মাসুদ হোসেন খান এশিয়ান টেলিভিশন এর মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি, দৈনিক গণতদন্ত পত্রিকার মফস্বল সম্পাদক, দৈনিক মানবাধিকার প্রতিদিন পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক সহ দেশে বেশ কয়েকটি অনলাইন ও জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য হিসাবে কর্মরত থেকে জাতীয়ভাবে সাংবাদিকদের কল্যাণে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটি ( বিএমএসএস) এর কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পর্ষদের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব পদে বহাল রয়েছেন।
https://slotbet.online/