• সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ১১:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজাপুরে জুলাই যোদ্ধার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন দুস্থ মানুষের পাশে ঢাকাস্থ নথুল্লাবাদ ইউনিয়ন কল্যাণ সমিতি শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন: শিক্ষকদের জীবনমান উন্নয়নই কি মূল চাবিকাঠি: রেজাউল করিম ঝালকাঠিতে পরিবেশ রক্ষায় বিষেশ নাগরিক সভা নবগ্রামে স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক খলিলের আয়োজনে ইফতার মাহফিল  নববধূকে নিয়ে আকাশপথে গ্রামে আগমন, নজর কাড়লেন সুমন দেশবাসীকে বিরোধীদলীয় নেতার ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা ঝালকাঠিতে যুবদল নেতার উদ্যোগে ১৫শ মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জের কৃতিসন্তান, “বৃক্ষ কণ্যা” মোসাম্মাৎ সাদিয়া আক্তার (ঈশা)এর, উইমেন্স এন্ড ইন্ডিপেন্ডেন্স অ্যাওয়ার্ড অর্জন ঝালকাঠিতে কাউন্সিলর প্রার্থী হানিফ হাওলাদারের ঈদ উপহার বিতরণ 

ঝালকাঠিতে কাগজে কলমে দেড় কোটি টাকার খাল খনন: শুভঙ্করের ফাঁকি 

Reporter Name / ২৫ Time View
Update : সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬

 

ঝালকাঠি প্রতিনিধি:

 

প্রকল্প ব্যয় প্রায় দেড় কোটি টাকা। প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়েছে তাও এক বছর হয়েছে। কাগজে কলমে কাজও প্রায় শেষ। কিন্তু ময়লা-আবর্জনার ভাগার রয়ে গেছে ঠিক আগেরই মত। এলাকাবাসীর অভিযোগ, ঠিকাদার ও পৌর কর্তৃপক্ষের যোগসাজশে হয়েছে প্রকল্পের অর্থ লোপাট।

 

 

বছরের পর বছর খনন না করায় ঝালকাঠি পৌর শহরের ৭টি খাল ময়লা-আবর্জনার ভাগারে পরিনত হয়ে মরতে বসেছে। একই সঙ্গে রোগ-জীবানু আর দুর্গন্ধে নাকাল শহরের এই সাতটি এলাকার কয়েক দশেক মানুষ। দুর্ভোগ লাঘবে স্থানীয় পৌরসভা নিজস্ব অর্থায়নে ২০২৪ সালের ২৮ আগস্ট ৭ টি খালে খনন শুরু। ১ কোটি ৩৩ লাখ ৩৭৭ টাকা প্রকল্প ব্যয়ে ঢাকার ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান আজমীর বিল্ডার্স কাজ পায়। দরপত্র অনুযায়ী খনন কাজের মেয়াদ শেষ হয় ২০২৫ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি। অর্থাৎ এক বছর আগে। কিন্তু খাল খননের দৃশ্য যেন কাগজে কলমেই বন্দি। এলাকাবাসীর অভিযোগ, শহরের দু’একটি খালে নামমাত্র খনন দেখিয়ে প্রকল্পের অর্থ লোপাট হয়েছে। ফলে দখল দূষণ আগের অবস্থাতেই রয়ে গেছে।

 

 

স্থানীয় মনির হোসেন বলেন,শহরের সাতটি খাল খননের নামে পৌরসভা বড় অংকের বাট করেছে। সাতটি খালের মধ্যে মাত্র তিনটি খালে নামমাত্র খনন দেখানো হয়েছে। অন্য খাল গুলোতে কোন প্রকার কাজই হয়নি।

 

 

শহরের ফকির বাড়ি এলাকার মনসুর আলী বলেন, অর্থলোপাটের জন্যই নাম দেখানো এই খাল খনন নাটক করা হয়েছে। সবগুলো আগের মতোই ময়লার ভাগাড় রয়ে গেছে। আসন্ন বর্ষা মৌসুমে ভোগান্তি আরও বাড়বে বলেন তিনি।

 

শহরের রাজবাড়ী এলাকার মোহাম্মদ আল আমিন বাটলাই বলেন, এই সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার অসংখ্য পরিবার। খালের উৎস মুখ না কাটায় পানি ও ময়লা আবর্জনা অপসারণের কোন জায়গা রাখা হয়নি। ফলে বর্ষার আগেই সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। আসন্ন বর্ষায় জলাবদ্ধতা চরম পর্যায় পৌঁছে যাবে বলেন তিনি।

 

 

তবে এ ব্যাপারে স্থানীয় পৌরসভা ও সংশ্লিষ্ঠ ঠিকাদার একে অপরকে দুষেছেন। ঠিকাদার এবিএম সারোয়ার হোসেন বলেন, এর আগে গত ৫০ বছরেও এ খালগুলো খনন হয়নি। তাই দখল-দূষণের মুখে নানা সীমাবদ্ধতা নিয়ে খালগুলোর খনন কাজ করতে হয়েছে। পৌরসভা কাজের বাকি অর্ধেক পরিমান পাওনা বিল এখনও পরিশোধ করছেনা বলেও অভিযোগ করেছেন ঠিকাদার।

 

 

আর এ ব্যাপারেঝালকাঠি পৌরসভার প্রকৌশলী টি এম রেজাউল হক রিজভী বলেন, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে চিঠি দেয়া হয়েছে। খুব শীঘ্রই খালগুলোর অসম্পন্ন খননের কাজ শেষ করে পৌরবাসীর দুর্ভোগ লাঘব করা হবে।

 

প্রসঙ্গত, ঝালকাঠি পৌরসভার মোট লোক সংখ্যা ৫০ হাজার। এ সাতটি খালের আশপাশে ঘিরে অন্তত ২০ হাজার মানুষের বসবাস।

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/