নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, নির্যাতন তথা মানবাধিকার লঙ্ঘন, রাজনৈতিক সন্ত্রাস নিয়ে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা করার আহবান জানিয়ে ‘সত্যান্বেষণই সাংবাদিকতার হউক মহান ব্রত’ মন্তব্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন বিএমইউজে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক শিবলী সাদিক খান।
তিনি বলেন সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা। একজন মানবাধিকার কর্মী মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনার তথ্যানুসন্ধান করে রিপোর্ট প্রণয়ন করেন। ঠিক একইভাবে একজন সাংবাদিককেও ঘটনার পেছনে ঘটা সত্যটাকে খুঁজে অনুসন্ধান করে জনগণের সামনে তুলে ধরা আবশ্যকতা হয়ে পড়ে।
একজন সাংবাদিকের নিজস্ব মতামত প্রকাশের জায়গা সংবাদপত্র নয়, ঘটনা যতটুকু ঘটে, ততটুকুই বলবেন একজন সাংবাদিক; এর বেশি নয়। সাংবাদিকতার জন্য প্রধান চ্যালেঞ্জও এটাই। প্রতিদিন অনেক ধরনের ঘটনাই ঘটে। জনমত সৃষ্টিতে আজকের সাংবাদিকরা রাখতে পারেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। চিন্তা করতে হবে জনমতের জায়গা থেকে জনকল্যাণের জায়গা থেকে।
সাধারণ খবরকে একজন সাংবাদিক এমনভাবে উপস্থাপন করতে পারেন, যাতে তা পাঠক পড়তে আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং তা পাঠকের মনে আলোড়ন সৃষ্টি করে।
প্রকৃত অর্থে সাংবাদিকতা আর দশটি পেশার মতো নয়, পেশাদারিত্বের কাজটিও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠে। প্রকৃত সাংবাদিকের দায়িত্ব বস্তুনিষ্ঠ ও সততাপূর্ণ সংবাদ পরিবেশন করা। সাংবাদিকতা যেমন এক বিধ্বস্ত জাতিকে পুনর্গঠনে অবদান রাখতে পারে, ঠিক তেমনি সাংবাদিকতার নামে মিথ্যাচারিতা, পক্ষপাতিত্ব, স্বার্থপরতা এক সুসংহত জাতিকে হিংসাত্মক যুদ্ধের দাবানলে প্রজ্জ্বলিত করার ভূমিকা রাখতে পারে।
বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার স্থান এখন দখল করে নিয়েছে করপোরেট সাংবাদিকতা। একজন অভিজ্ঞ সাংবাদিক এই রূপান্তরগুলোকে শুধু দেখেই শেষ করতে পারেন না, সেগুলোকে তার নিবিড় �
https://slotbet.online/