• বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০৯:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ঝালকাঠি পৌর প্রশাসক ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন ঋণের চাপ সইতে না পেরে ঠাকুরগাঁওয়ে বৃদ্ধের আত্মহত্যার অভিযোগ নলছিটির সুবিদপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় বাবলু তালুকদার সুগন্ধা নদীর ওপর সেতু নির্মাণে নতুন আশার আলো, পরিদর্শনে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ঐতিহ্যবাহী নথুল্লাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনা হবে: এডহক কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট আল আমিন পুলিশ লাইনস স্কুল পরিদর্শন করেন পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস সাভারে দুই এএসআই ও কনস্টেবল প্রত্যাহার চাঁপাইনবাবগঞ্জে যুবদলের প্রতিরোধ ও বিক্ষোভ মিছিল চাঁপাইনবাবগঞ্জে নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে ব্র্যাকের অ্যাডভোকেসি ডায়ালগ অনুষ্ঠিত ট্রাস্কফোর্স অভিযানে একাধিক মামলার আসামি নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার; ইয়াবা, হেরোইন ও গাঁজা উদ্ধার

রামপালে শীতের তীব্রতায় শীতবস্ত্রের কেনাকাটার ধুম

Reporter Name / ২৬৫ Time View
Update : শনিবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২৫

সরদার মহিদুল ইসলাম, জেলা প্রতিনিধি বাগেরহাট : শীতের তীব্রতায় বিপর্যস্ত রামপালের নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের জীবনে ফুটপাতের শীতবস্ত্রের দোকানগুলো হয়ে উঠেছে স্বস্তির জায়গা। ফয়লাবাজার মাঠ, ভাগা বাজারসহ বিভিন্ন বাজারে শীতবস্ত্র কেনার হিড়িক পড়েছে। সাশ্রয়ী দামে মানসম্মত পোশাক কিনতে পারায় মানুষের মুখে ফুটে উঠেছে স্বস্তির হাসি। শীতবস্ত্রের দোকানগুলোতে গিয়ে দেখা গেছে, শিশুদের জাম্পার ১৫০ টাকা থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পুরুষদের হুডি বিক্রি হচ্ছে ২৫০ টাকা থেকে ৩৫০ টাকায় এবং নারীদের সোয়েটার ৩০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও চাদর ২৫০ টাকা থেকে ৪৫০ টাকায়, উলের টুপি, গ্লাভস, এবং স্কার্ফ ৬০ টাকা থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তুলনামূলকভাবে বাজারে এসব পণ্যের দাম কম থাকায় নিম্ন আয়ের মানুষেরা এই দোকানগুলোতে ভিড় জমাচ্ছেন। খুলনা থেকে আগত ব্যবসায়ী আওয়াল হোসেন বলেন, প্রতিটি বান্ডিল থেকে ২ থেকে ৩ হাজার টাকা লাভ হয়। শীতের এই সময়টাই আমাদের ব্যবসার মৌসুম। ঠান্ডা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিক্রি আরও বেড়েছে। প্রতিদিন প্রায় ৫ থেকে ৭ হাজার টাকার পণ্য বিক্রি হচ্ছে। শীতবস্ত্র কিনতে আসা গোবিন্দপুরের মেজবাহ উদ্দিন বলেন ফুটপাতের পণ্যের মান বেশ ভালো। এখানে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায় যেটা কিনছি তা মার্কেটে গেলে ১০০০ টাকার কমে পাওয়া যেতই না। শীতবস্ত্র কিনতে আসা উজলকুড়ের গৃহিণী আলেয়া বেগম বলেন, শীতবস্ত্রের দাম আমাদের সাধ্যের মধ্যে থাকায় খুব উপকার হয়েছে। আমাদের পরিবারের ছয়জনের জন্য ফুটপাত থেকে পোশাক কিনেছি। রামপালের শীতবস্ত্রের দোকানগুলো মানুষের জন্য কেবল কেনাকাটার স্থান নয়, বরং নিম্ন আয়ের মানুষদের জন্য এক ধরনের স্বস্তির জায়গায় পরিণত হয়েছে। শীতের প্রকোপ আরও বাড়লে এ ধরনের দোকানগুলোতে ভিড় আরও বাড়বে বলে আশা করছেন ব্যবসায়ীরা। মোংলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবহাওয়াবিদ মো. হারুন অর রশিদ জানান, আজ বাগেরহাটের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তিনি আরও জানান, শৈত্যপ্রবাহের কারণে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এটি আনুমানিক দুই থেকে তিন দিন ধরে থাকবে জানান এই কর্মকর্তা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/